পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌনহয়রানীকারী অসীম মাষ্টারের এক মুখে দুই কথা ! –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

 

নিজের অপরাধ ঢাকতে উঠে পরে লেগেছেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার বাণিবহ ইউনিয়নের বার্থা খানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার দাস। তবে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টার কারণে তিনি নিজের জালে নিজেই আটকে যেতে শুরু করেছেন, পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানীকারী এই শিক্ষক।

জানাগেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর “যৌন হয়রানীকারী প্রধান শিক্ষক অসীমের কারণে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ অনিশ্চিত”- শিরোনামে একটি সরোজমিন প্রতিবেশন প্রকাশিত হয় দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠ পত্রিকায়। ওই রিপোর্ট প্রকাশ পাবার পর দিন সে নিউজকে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলে “দৈনিক রাজবাড়ী কণ্ঠ”-এর সম্পাদকের কাছে নিজের স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবাদলিপি প্রদান করেন শিক্ষক অসীম কুমার দাস।

ওই প্রতিবাদ লিপিতে শিক্ষক অসীম তার কৃতকর্মের দায় সুকৌশলে বার্থা খানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষকের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন এবং ওই সব শিক্ষকদের ষড়যন্ত্রকারী বলেও অবহিত করেছেন। বিশেষ করে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নবীলা হাসান তার ৪/৫ বছরের শিশু ছেলেকে বিদ্যালয়ে এনে শিক্ষার পরিবেশ বিঘœ করা এবং তিনি (অসীম) নিষেধ করায় তার বিরুদ্ধে শিক্ষকরা এই মিথ্যা ও অসত্য, বানোয়াট তথ্য দিয়েছে।

অপর দিকে, গত ১৮ জুলাই অসীমের বিরুদ্ধে তদন্তে যায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলা শিক্ষা কমিটি কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সে সময় ওই কমিটির কাছে লিখিত বক্তব্যে প্রদান করে অসীম। ওই বক্তব্যেও অসীম নিজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকা ও ফেসবুকে প্রকাশিত নিউজকে মিথ্য ও ভিত্তিহীন বলেন। সেই সাথে অসীম বলেন, “আমার পারিবারিক সম্পত্তির সমস্যা জনিত কারণে এ ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে। আমার স্ত্রী’র একমাত্র ভাই এর সঙ্গে তার রোনের জমি-জমা সংক্রান্ত দ্বন্দ আছে। আমার স্ত্রী’র ভাই অথবা তার আতœীয় স্বজন ও বন্ধু বান্ধব দ্বারা এ ঘটনা ঘাটাতে পারে বলে মনে হয়।”

পাঠক, অসীমের এই দুই ধরণের বক্তব্যেই বলে দিচ্ছে সে তার অভিযোগ থেকে বাঁচতে কত কিছুই না করছে আর বলছে। আমরাও পাঠককের কাছে তার সকল কু-কর্মের চিত্র তুলে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।  আসছে —————-

(Visited 429 times, 1 visits today)