করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে আইসোলেশন কর্নার প্রস্তুত –

রুবেলুর রহমান, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

চীনে ভয়াবহ আকারে রুপ নেওয়া করোনা ভাইসরাস মোকাবেলায় রাজবাড়ী আধুনিকৃত সদর হাসপাতালে আইসোলেশন (করোনো ভাইরাস) কর্নার প্রস্তুত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদি এখন পর্যন্ত রাজবাড়ীসহ দেশের কোথাউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবী পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ভাইরাস মোকাবেলায় হাসপাতালের তৃতীয় তলার পশ্চিম পাশে দু’টি (মহিলা ও পুরুষ) কেবিন প্রস্তুত রেখেছেন।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক দীপক কুমার বিশ্বাস জানান, এখন পর্যন্ত আমাদের দেশসহ কোন জেলাতে চীনের ভয়াবহ করোনা ভাইরাস রোগী বা এ রোগের লক্ষন দেখা যায়নি। তারপরও পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে হাসপাতালে দু’টি আইসোলেশন কর্নার (কেবিন) প্রস্তুত রেখেছেন। যা সিভিল সার্জন পরিদর্শন করেছেন।
তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাস সম্পর্কে এখনো কোন প্রতিশেধক আবিষ্কার হয়নি এবং এ রোগ সম্পর্কে ভাল ভাবে কিছ্ইু জানাযায়নি। তবে আস্তে আস্তে সব জানাযাবে। কিন্তু সবাই সচেতন হতে হবে। যেমন হাঁচি, কাঁসি দেবার সময় হাতের ডানার দিকে মুখ দিয়ে দিলে ভাল হয়। যাতে করে অন্যের দিকে জীবানু না যায়। হাঁচি কাঁসির মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি। এ জন্য সবারই মাস্ক ব্যবহার জরুরী। এছাড়া গনপরিবহন ব্যবহার, খাবার খাওয়ার আগে পরিষ্কার করে হাত ধুয়া, ময়লা কাপড় ধুয়ে পড়া। এছাড়া অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে চীন, হংকংসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যারা দেশে আসছে তারা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা। এ ভাইরাস মোকাবেলায় চীন সহযোগীতা ও সঠিক তথ্য না দিলে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে। ভাইরাস মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হবার আহ্বান জানান তিনি। ভাইরাস মোকাবেলায় যার যার স্থান থেকে নিজেদের সচেতন হতে হবে। যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ বা ভাইরাস মোকাবেলা নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব সচেতনতার মাধ্যমে। সেবা দেবার পাশাপাশি
সাধারন জনগন ও রোগীদের সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন।
সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান সরকার জানান, চীন দেশের করোনা ভাইরাস বিশ্বের বহু দেশে হানা দিয়েছে। ভাইরাস মোকাবেলায় তারাও প্রস্তুতি হিসেবে জেলার প্রতিটি স্বাস্থ্য সেবা দপ্তরে কর্মকর্তা ও দ্বায়িত্বরতদের সাথে বিভিন্ন সভা সেমিনারের মাধ্যমে পরামর্শ দিচ্ছেন এবং কেউ যেন গুজবে কান না দেয়, সে বিষয়ে বলছেন। এছাড়া যে কোন লক্ষন দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলছেন। জেলার প্রস্ততি হিসেবে সদর হাসপাতালে দুটি কেবিন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী যা যা করা প্রয়োজন সেটা করার চেষ্টা করবেন।

(Visited 369 times, 1 visits today)