রাজবাড়ীতে সনাকের ভ্রাম্যমাণ প্রচারণা –
- Update Time : ১০:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮
- / ৫৪ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
পোল্যান্ডের কাতোভিতসেতে আয়োজিত আসন্ন জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৪) সামনে রেখে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা কাঠামো সম্বলিত চূড়ান্ত রুপরেখা প্রণয়ন ও প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি ও ন্যায্যতা নিশ্চিতে
দাবিতে টিআইবি’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) রাজবাড়ী’র ইয়েস ও ইয়েস ফ্রেন্ডস সদস্যরা ভ্র্যাম্যমাণ প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) রাজবাড়ীর ইয়েস ও ইয়েস ফ্রেন্ডস সদস্যবৃন্দ ভ্রাম্যমাণ প্রচারণা কার্যক্রম এর অংশ হিসাবে রাজবাড়ী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান যেমন রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল, শ্রীপুর বাজার, রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ, আলাদিপুর বাজার, আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদ, বাণীবহ বাজার, বাণীবহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা ও রাজবাড়ী বাজারে টিআইবি’র ধারণা পত্র বিতরণ করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন।আজ বুধবার সকাল ১০.০০টা থেকে দুপুর ১.০০টা পর্যন্ত এই ভ্রাম্যমান প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আগামী ৩-১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য কপ-২৪ সম্মেলনে প্যারিস চুক্তির আলোকে বিশ^ব্যাপি ঝুকিতে ক্ষতিগ্রস্থ দেশসমূহের কোটি কোটি মানুয়ের স্বার্থে টিআইবি আসন্ন কপ-২৪ সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নে জলবায়ু অর্থায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি, ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা কাঠামো সম্মলিত রুপরেখা (রুল বুক) চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সহ প্যাারিস চুক্তির সাক্ষরকারী দেশসমূহের সংশ্লিষ্ট অংশীজনের বিবেচনার জন্য টিআইবি নিন্ম লিখিত দাবী পেশ করেছে:
প্যারিস চুক্তির আওতায় জলবায়ু অর্থায়নে উন্নত এবং উন্নয়নশীল উভয় শ্রেণির দেশের জন্য আইনী বাধ্যতামূলক, একটি ‘‘স্বচ্ছতা কাঠামো” অবলম্বন করে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের শুদ্ধাচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে;
দূষণকারী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান নীতি বিবেচনা করে ঋণ নয়, শুধু সরকারি অনুদান, যা উন্নয়ন সহায়তার ‘অতিরিক্ত’ এবং ‘নতুন’ প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি দিয়ে জলবায়ু অর্থায়নের সংজ্ঞায়ন করতে হবে;
স্বল্পোন্নত দেশগুলোর স্বার্থ নিশ্চিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নের রুপরেখা চূড়ান্ত করা, উন্নত দেশগুলো হতে প্রয়োজনীয় সম্পদ (জলবায়ু তহবিল, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কারিগরি সহায়তা) সরবরাহের জোর দাবি উত্থাপন করতে হবে;
উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিযোজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে চাহিদা মাফিক জলবায়ু তহবিল প্রদানে একটি সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করতে হবে;
ক্ষতিগ্রস্ত স্বল্পোন্নত দেশসমূহের পরিকল্পিত অভিযোজনের জন্য জিসিএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক তহবিল হতে প্রয়োজনীয় তহবিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যথাসময়ে, সহজে সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ সহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সমন্বিতভাবে (ক্লাইমেট ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে) দাবি উপস্থাপন করা এবং তা আাদায়ে দর কষাকষিতে দক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে;
স্বল্পোন্নত দেশে অভিযোজন বাবদ অর্থায়নের অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষয়-ক্ষতি মোকাবেলায় বিশেষ তহবিল গঠন এবং তার জন্য দ্রুত অর্থায়ন নিশ্চিতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সোচ্চার হতে হবে;
জলবায়ু-তাড়িত বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসন, কল্যাণ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিতে জিসিএফ এবং অভিযোজন তহবিল থেকে বিশেষ তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে এবং জিসিএফ এর ট্রাস্টি বোর্ডের কাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি সমতা-ভিত্তিক প্রতিনিধিত্বমূলক এবং কার্যকর ট্রাস্টি বোর্ড গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের অভিযোজন কার্যক্রমে অনুদানকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়
















































































































