অপহরণকারী সাব্বিরকে খুজছে পুলিশ,রাজবাড়ীর ডাঃ আবুল হোসেন কলেজের ছাত্রী অপহরণ –
- Update Time : ০৮:১৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
- / ৮০ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ী জেলা শহরের ডাঃ আবুল হোসেন কলেজের ছাত্রী (১৮) কে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থেকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই অভিযোগে গত ৩ ফেব্রুয়ারী ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর প্রায় দুই সপ্তাহ সময় অতিক্রান্ত হলেও পুলিশ অপহরণকারী সাব্বিরকে এখনো খুজে বের করতে পারেনি। যদিও অপহরণকারী ওই ছাত্রীর চাচাতো ভাইকে খুনের হুমকী প্রদান করেছে। এ হুমকির ঘটনায় ছাত্রীর চাচাতো ভাই গত ৯ ফেব্রুয়ারী রাজবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছেন।
মামলার বাদী ওই ছাত্রীর বাবা জানান, তারা সনাতন ধর্মাবলম্বী। তার মেয়ে রাজবাড়ীতে থাকা চাচাতো ভাইয়ের বাড়ীতে অবস্থান করে জেলা শহরের ডাঃ আবুল কলেজের পড়াশোনা করে। তবে বেশ কিছু দিন ধরে রাজবাড়ী জেলা শহরের কলেজপাড়ার বড় মসজিদ এলাকার মন্টুর ছেলে সাব্বির (৩৫) তার মেয়েকে প্রেমসহ কু-প্রস্তব প্রদান করতে থাকে। তবে তার মেয়ে সাব্বিরের প্রস্তাবে রাজি ছিলো না। যে কারণে তিনি তার মেয়ের অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেন। আর ওই বিয়ে দেবার জন্য মেয়েকে শৈলকুপার বাড়ীতে নিয়ে যান। এরই মাঝে গত ২৯ জানুয়ারী তার মোবাইলে ফোন করে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি হুমকি প্রদান করে এবং মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যাবার কথা জানায়। গত ৩ ফেব্রুয়ারী বিকালে তার মেয়ে বাড়ীর পাশের পুকুর চালায় যায়। ওই সময় সাব্বিরের নেতৃত্বে অজ্ঞাত নামা দূর্বৃত্তরা একটি মাইক্রোবাসে জোর পূর্বক তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই ঘটনার পর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্তও তার কোন খোজ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার ও আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে, ওই ছাত্রীর চাচাতো ভাই বলেন, সাব্বির গত ৭ ফেব্রুয়ারী সকালে ও বিকালে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে তাকে হত্যার হুমকী প্রদান করেছে। যে কারণে তিনি রাজবাড়ী থানায় সাব্বিরের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়রী করেছেন।
রাজবাড়ী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সোমনাথ বসু বলেন, ওই ছাত্রীর অপহরণের বিষয়টি শৈলকুপা থানা থেকে জানানো হয়েছে। যে কারণে ওইছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা তারাও করছেন।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়
















































































































