কাজ শেষ হবার এক মাসের মধ্যেই রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধে দ্বিতীয় বারের মত ধ্বস –
- Update Time : ০৯:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১
- / ৬৫ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ী জেলা শহর রক্ষায় স্থায়ী ভাবে পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবার একমাস পরেই দ্বিতীয় বারের মত ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এর আগে গত ১৬ জুলাই শহর রক্ষা বাধেঁর ৩০ মিটার এলাকা ভেঙ্গে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে শহরের গোদার বাজার এলাকায় ২০০ মিটার কংক্রিটের সিসি ব্লক বিলিন হয়ে যায়। খবর শুনে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা। যদিও এ কাজে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফেলতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। ভাঙন হুমিকতে রয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ এবং আতঙ্গে রয়েছে এলাকাবাসী।
জানাগেছে, ২০১৯ এর জুলাইতে শুর হওয়া (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের রাজবাড়ী পদ্মা নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ডান তীর প্রতিরক্ষার কাজের আড়াই কিলোমিটার অংশের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ১৫২৭ মিটারে ৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু হয়। যা এখনও চলমান। এবং ব্লক পিচিংয়ের দুই না যেতেই ধ্বস দেখা যায়।
এদিকে ভাঙ্গন রোধে ২০১৮ সালের জুন মাসে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ডান তীর প্রতিরক্ষার কাজ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাটে ৩ ও মিজানপুরে দেড় কিলো মিটারসহ সাড়ে ৪ কিলো মিটারসহ মোট ৭ কিলোমিটার অংশে ৩ শত ৭৬ কোটি ব্যায়ে কাজ শুরু হয়। যা এখনও চলমান। কিন্তু সে কাজেরও চলমান অবস্থায় গোদার বাজারের চর সিলিমপুর এলাকায় ৩০ মিটার ধসে যায়।
স্থানীয়রা বলেন, ব্লক দিয়ে বাঁধের কাজ বছরের পর বছর স্থায়ী হয়। কিন্তু এবার শুরু থেকেই কাজ ভাল হয়নি। নতুন মাটির ওপর সোলিং করে ব্লক বসিয়েছে। আর নিচে যে গাইড ওয়ালের সাপোটিং দেয়া প্রয়োজন ছিলো, সেটিও দেয়নি। যে কারণে ব্লক বসানোর দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে ব্লক ধসে পড়লো। এখন যে ভাবে ভাঙছে তাতে দ্রুত রোধ না করতে পারলে বাঁধ ভেঙে শহরে পানি প্রবেশ করবে। আসলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের গাফেলতিতেই এ ভাঙন। কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও ভাঙন রোধ হচ্ছে না তাদের উদাসিনতায়। সন্ধ্যার একটু পর থেকে সকাল পর্যন্ত ভাঙনে প্রায় ২০০ মিটার সিসি ব্লক ধসে যায়।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আহাদ বলেন, ভাঙনের খবর পেয়ে তা দ্রুত তারা ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে পৌছান। সেই সাথে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন এবং ভাঙন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। এ কাজের ডিজাইন করা হয়েছিলো ২০১৬/১৭ সালে। তখন নদীর যে গতিপথ বা অবস্থা ছিল। এখন সেটা নাই। হয়তো সে কারণে এ ধ্বস দেখা দিয়েছে। ধ্বসে যাওয়া এলাকায় নদীর ¯্রােত বেশি। কাজের ডিজাইন থেকেও এখানে বেশি কাজ করা প্রয়োজন। এ জন্য আমরা আরো ৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছি।
এদিকে, বিকালে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি শহর রক্ষা বাঁধ যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবার নিদের্শনাও প্রদান করেন।
ফেসবুক থেকে এ ভিডিওটি দেখা না গেলে TV Rajbari ( https://www.youtube.com/channel/UCuDGuIdq78amgxb4yhEJ55w ) লিখে ইউটিউবে সার্চ দিলেও দেখা যাবে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়
















































































































