শাহীন সামাদ ও রাজবাড়ীর জয়নুল আবেদীনের ‘ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু’ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচিত –
- Update Time : ০৭:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
- / ৫৪ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
গত ৭ ডিসেম্বর মোড়ক উন্মোচন হলো স্বাধীনবাংলা বেতার খ্যাত মুক্তিযোদ্ধা কণ্ঠশিল্পী শাহীন সামাদ ও কণ্ঠশিল্পী জয়নুল আবেদীনের গাওয়া বঙ্গবন্ধু ও ইতিহাস কেন্দ্রিক চমৎকার ১০টি মৌলিক গানের ‘ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু’ শিরেনামের মিউজিক ভিডিও অ্যালবাম।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী এবং বিশেষ অতিথিবৃন্দ ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জনাব রফিকুল ইসলাম খান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. রতন সিদ্দিকী, চিত্রশিল্পী প্রফেসর শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
অ্যালবামের গানগুলো লিখেছেন এবং সুর করেছেন কণ্ঠশিল্পী জয়নুল আবেদীন নিজেই।
রাজবাড়ী জেলার জয়নুল আবেদীন গান লেখেন, সুর করেন ও নিজে গান গেয়ে থাকেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের গীতিকার এবং লোকগানের কণ্ঠশিল্পী। ‘৭৫ ট্রাজেডির পরবর্তী পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু যখন দেশে প্রায় নিষিদ্ধ, তখন থেকেই তার প্রবল ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা ছিল সংগীতের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। তিনি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত অনেক গান লিখেছেন। তার লেখা এই অ্যালবামের প্রতিটি গানই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত ইতিহাসসমৃদ্ধ।
সুরও বেশ চমত্কার। যেমন, ‘আমি বিশ্বমানচিত্রে রক্তের রঙ দিয়ে বাংলার যে ছবি এঁকেছি, তার মাখে বাঙালির হৃত্পিণ্ড ঘিরে বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি’। ‘৭ মার্চের উত্তাল জনসমুদ্র, মুক্তির ডাক শুনে ক্রমশই হয়ে ওঠে বিক্ষুব্ধ।’ সে তো বিশ্বের খ্যাতনামা জুলিওকুরি, তিতুমীর সিরাজের উত্তরসুরি’।
এ ছাড়া বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে নিয়ে লেখা অসাধারণ একটি গান রয়েছে। তার লেখা এ গানগুলো সুরকার সুজেয় শ্যাম, প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বার, তিমির নন্দী, শাহীন সামাদ, চিত্রনির্মাতা আশরাফ শিশিরসহ অনেক গুণীজন দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে।
সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো ‘৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের চরম দুঃসময়ে বিশেষ করে আশির দশক থেকে এই গান মিডিয়া তথা দেশব্যাপী প্রচারের প্রবল ইচ্ছা তার হৃদয়ে ঘুরতো। কিন্তু শুধু আশ্বাস আর গতানুগতির প্রশংসা ছাড়া অ্যালবাম প্রকাশের ব্যাপারে আর্থিকসহ কোনো সাহায্যই মেলেনি। অতঃপর তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা চাকরিটি মেয়াদ শেষের আগেই ছেড়ে দিয়ে গ্র্যাচুইটির টাকা থেকে আড়াই লাখ টাকা খরচ করে এই অ্যালবামটি নির্মাণ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। তিনি এ ব্যাপারে আর কারো কাছে একটি টাকাও চাননি।
তিনি চান বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার এই ভালোবাসার ক্ষুদ্র প্রয়াস অনন্তকাল বেঁচে থাকুক।
তিনি চান, শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই অ্যালবামটির অন্তত একটি গান হলেও শুনুন। তাই অ্যালবামটির একটি কপি কোনো সহৃদয় ব্যক্তির সহায়তায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাতে চান। এটা তার একান্ত ইচ্ছা। কিন্তু সেখানে কি পৌঁছানো যাবে?
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































