পাংশায় দুর্গোৎসবে নব কিশোর সংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত –
- Update Time : ০৭:১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮
- / ৬০ Time View
এস,কে পাল,রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে রাজবাড়ীর পাংশা মৈশালা কর্মকারপাড়া নব কিশোর সংঘ মহানবমী পূজার রাতে আয়োজন করেছিল বিভিন্ন প্রতিযোগিতা।
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টায় পাংশা মৈশালা কর্মকারপাড়া নব কিশোর সংঘের আয়োজনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে আনন্দ মনির সঞ্চালনায় মৈশালা কর্মকারপাড়া নব কিশোর সংঘের সভাপতি বিধান চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল আরতী, নৃত্য, শঙ্খধ্বনী ও উলুধ্বনী প্রতিযোগিতা। এসকল প্রতিযোগিতায় প্রায় ৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে ছিলেন, বিশিষ্ট হোমিও চিকিৎসক স্বপন কুমার মন্ডল, বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন পরিচালক প্রশান্ত কুমার সিকদার ও মনিষা সিকদার। প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আরতী প্রতিযোগিতায় ১ম সুনীল মজুমদার, ২য় কনক চৌধুরী ও ৩য় স্থান অধিকার করেন নীলকণ্ঠ মজুমদার। শঙ্খধ্বনী প্রতিযোগিতায় ১ম বন্দনা রায়, ২য় সুনিতা সিকদার ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যৌথভাবে শিউলী মুখার্জী ও স্বপ্না কর্মকার। উলুধ্বনী প্রতিযোগিতায় ১ম পূর্ণিমা সিকদার, ২য় মিনি কর্মকার ও ৩য় স্থান অধিকার করেন সাথী সিকদার। অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীদের সান্ত¡না পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়াও শিক্ষা বিষয়ক প্রণোদনা পুরস্কার পেয়েছেন দিগন্ত মজুমদার, রুদ্র সিকদার, মনিষা সিকদার ও সতী মন্ডল। মৈশালা কর্মকারপাড়া নবকিশোর সংঘের কমিটির উদ্যোগে মন্দির কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, রাঁধুনী, সার্বক্ষণিক নিবেদিত প্রাণ, পুরোহিত, আনসার বাহিনীর সদস্য, লাইটিং ও ডেকোরেটর ম্যানদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মৈশালা কর্মকারপাড়া নবকিশোর সংঘের সভাপতি বিধান চন্দ্র মজুমদার বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব প্রতিবছর আমাদের মাঝে নতুন উদ্যম ও প্রাণ সঞ্চার সৃষ্টি করে। এই উৎসবটিকে ঘিরে আমাদের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করে। ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত আমরা মায়ের আরাধনা করি। মায়ের কাছে প্রার্থনা করি যাতে জগৎ থেকে সকল অশুভ শক্তির বিনাশ ও মঙ্গল প্রতিষ্ঠা হয়। দশমীতে (আজ) মায়ের বিদায়ের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































