বালিয়াকান্দির দু’টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তি চরমে –
- Update Time : ০৯:৪২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৯
- / ৫২ Time View

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
কৃষি ফসল উৎপাদনে বিখ্যাত এলাকা হিসেবে পরিচিত রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা-খামারমাগুরা সড়ক নির্মাণ হলেই বদলে যাবে জীবন-যাত্রার মান। কিন্তু আজ স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও কেউ কথা রাখেনি।
জামালপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক পল্লী চিকিৎসক কিউ আর মহব্বত বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী আশির দশকে নির্মিত হয় রাজবাড়ী বেড়িবাঁধ। এতে মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন ও কৃষিতে যুগান্তকারী ফলন। এরই ধারাবাহিকতায় জামালপুর ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা ও খামার মাগুরা গ্রামেও কৃাষি খাতে দেখা দেয় বিপ্লবিক পরিবর্তন। এ গ্রামে প্রতিবছর কাঁচা মরিচ, মিষ্টি কুমড়া, বাঁধাকপি, ফুলকপি চাষাবাদ ও উৎপাদন করে ব্যাপক অর্থনৈতিক পরিবর্তন এনেছে এ অঞ্চলের কৃষক। রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে উৎপাদন করা ওই সকল কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে প্রচুর খরচ বেড়ে যায়। পাশাপাশি সময়ের অপচয়, সেই সাথে কঠিন কষ্টের সম্মুখীন হতে হয় কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের। শুধু তাই নয় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। অসুস্থ রোগী আর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের কথাতো বলার অপেক্ষা রাখেনা, একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা আর মানুষকে হায় আফসোস বাড়িয়ে তোলে নাভিশ্বাসে। এম্বুলেন্স, পুলিশের গাড়ী, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী, বিভিন্ন পণ্য পরিবহন যানবাহন প্রবেশ করার কোনও সুযোগই থাকেনা বর্ষা মৌসুমে।
তিনি আরো বলেন, বছরে ২০ কোটি টাকার অধিক মূল্যের কাঁচা কৃষি পন্য এ কাঁচা কর্দমাক্ত সড়ক দিয়ে বহন করে বাজারজাত করতে হয়। বর্ষা মৌসুম এলেই কৃষকেরা নিজস্ব তহবিল সংগ্রহ করে রাস্তায় বালি ফেলে কিছুটা ভোগান্তি মুক্ত করার চেষ্টা করে থাকে। এ বৎসরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কৃষি নির্ভর দেশে কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন না হলেও একটু স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারাটা এ এলাকার কৃষকদের প্রাণের দাবী। কিন্তু আজ স্বাধীনতার ৪৮ বৎসর যাবৎ কেউ কথা রাখেনি। স্থানীয় নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ এলাকার মানুষের একটাই দাবী থাকে আমরা ত্রাণ, সাহায্য কিছুই চাইনা, শুধু আমাদের সোনাইডাঙ্গা- খামারমাগুরা রাস্তাটি পাকা করণ চাই। এ এলাকার মানুষ প্রতিশ্রুতি পায় কিন্তু রাস্তার হাল অবস্থা বছর ঘুরলেই আরও দুর্দশাগ্রস্থ হয়।
তিনি বলেন, গত বৎসর সোশাল মিডিয়া ও স্থানীয় পত্রিকায় রাস্তার করুণ আর ভয়াবহ দৃশ্য তুলে ধরে অনেক অনুনয় বিনয় করে চাওয়ার ফলে, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এর মহানুভবতায় রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুল জব্বার এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদের আন্তরিক অবদানে জেলা পরিষদ থেকে ১হাজার ১শত ৪০ ফুট এইচবিবি সড়ক বরাদ্দ দেয়া হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। কিছুটা কষ্ট লাঘব হলেও সীমাহীন কষ্ট আর দূর্ভোগ সেই তিমিরেই রয়ে গেছে।
এলাকার কৃষকরা বলেন, পাংশা, কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলার উন্নয়নের রূপকার গণমানুষের নেতা বারংবার নির্বাচিত সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমের নিকট এলাকার গণমানুষের নিবেদন পর্যাপ্ত কৃষি পণ্য উৎপাদনের রেকর্ড সৃষ্টিকারী এ গ্রাম সোনাইডাঙ্গা-খামারমাগুরাবাসীর একমাত্র দাবী চলতি অর্থ বৎসরেই পাকারাস্তা বাস্তবায়ন করা।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়






































































































