রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের চন্দনীতে ১২ ডাকাতে করেছে হানিফ পরিবহণে ডাকাতি –
- Update Time : ০৯:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুন ২০১৮
- / ৯৬ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
দেড় বছর আগে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের চাঁদপুর কালিবাড়ী মুক্তিযোদ্ধা মাইলফলকের সামনে যাত্রীবাহী হানিফ পরিবহণে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার দীর্ঘ দিন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাকিব খান-এর তৎপড়তায় ডাকাতি হওয়া একটি মোবাইল ফোনসহ গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার গট্টিয়া গ্রামের হাসমতের ছেলে ফরহাদ (২৭) কে। আর তাকে গ্রেপ্তারের পরই বেড়িয়ে আসে মূল রহস্য এবং ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের নাম। যা সে গতকাল বিকালে রাজবাড়ীর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে জবাববন্দী আকারে তুলে ধরেছে।
এ মামলার তদন্দকারী কর্মকর্তা ও রাজবাড়ী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাহিদুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর রাতে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের চাঁদপুর কালিবাড়ী মুক্তিযোদ্ধা মাইলফলকের সামনে যাত্রীবাহী হানিফ পরিবহণে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর দিন থানার তৎকালিন এএসআই বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের ১৫/২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টায় নিয়োজিত ছিলেন। এরই মধ্যে হঠাৎ করেই ডাকাতি হওয়া একটি মোবাইল ফোন তিনি সনাক্ত করেন এবং ওই মোবাইল ফোনসহ ডাকাত সদস্য ফরহাদতে তিনি গ্রেপ্তার করতে সমর্থ হন।
তিনি আরো বলেন, গতকাল রবিবার বিকালে ফরহাদ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ওই জবান বন্দিতে ফরহাদ বলেন, ঘটনার দিন বিকালে জনৈক চন্দন ওরফে চন্দর ওরফে তোতা তাকে রাজবাড়ীর চন্দনীতে আসতে বলেন। তিনি চন্দনীতে আসেন এবং রাত ১০টার দিকে চন্দনী মাঠের মধ্যে ১২ জন মিলিত হন। ওই সময়ই তিনি জানতে পারেন এই ১২ জন মিলে সড়কে ডাকাতি করবেন তারা। ওই দিন রাত ১২টার দিকে তারা রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের চাঁদপুর কালিবাড়ী মুক্তিযোদ্ধা মাইলফলকের সামনে ওঠেন এবং গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। সকলের হাইতেই ধারালো অস্ত্র ছিলো। প্রথমে তারা একটি ট্রাকে এবং পরে যাত্রীবাহী হানিফ পরিবহণে ডাকাতি করেন। এক পর্যায়ে ওই বাসের যাত্রীরা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করলে তারা পালিয়ে চন্দনীর মাঠের মধ্যে চলে যান এবং তিনি ভাগে নগদ ৪হাজার ৫শত টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন। আর্থিক অনটনের কারণে ওই মোবাইল ফোন বিক্রি করার পর পরই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়









































































































