রাজবাড়ীতে ভুমি মন্ত্রণালয়ের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দুই লক্ষাধিক হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মামলা-
- Update Time : ০৮:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮
- / ৫৭ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

নিজেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর পিএস পরিচয় এবং ভুমি মন্ত্রাণয়ের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেবার ঘটনায় হাবিব সেখ ওরফে রনি (২২) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রনি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের আইয়ুব আলী সেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বাণিবহ গ্রামের মৃত আকিজ উদ্দিন মিয়ার ছেলে মজিবুর রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী বলেন, প্রতারক রনি তার কাতার প্রবাসী ছোট ছেলে রুহুল আমিনের পূর্ব পরিচিত। ওই পরিচয়ের সূত্রধরে রনি জানায় সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর পিএস এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলালের পিএসের কাছের মানুষ। ফলে ভুমি মন্ত্রলালয়ের পিয়ন পদে তার অষ্টম শ্রেণী পাস ছেলে আল আমিন মিয়ার চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেবে। তবে রনিকে দিকে হবে চার লাখ টাকা। ওই চাকরীর কথা বলে তিন মাস ধরে রনি তার কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করে। সর্বশেষ নিয়োগপত্র দিয়ে বাকী টাকা নেবার কথা ছিলো রনি’র। সে লক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সকালে রনি নিয়োগপত্র নিয়ে তার বাড়ীতে আসে এবং ওই নিয়োগপত্র নিয়ে বাকী টাকা চায়। তিনি নিয়োগপত্রটি দেখেন এবং গোপনে আরো কয়েকজনকে দেখান। নিয়োগ পত্র দেখে তাদের সকলেরই সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে তারা রনিকে রাজবাড়ী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন।
থানায় আটক থাকা রনি জানায়, সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর পিএস হিসেবে কাজ করছেন। তার বাড়ী টুঙ্গিপাড়ায় হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলালের পিএসের সাথে তার ভাল সম্পর্ক রয়েছে। শেখ হেলালের পিএসের সাথে আনোয়ার নামে জনৈক এক ব্যক্তি উঠাবসা থাকায় সে এবং আনোয়ার যৌথভাবে আল আমিনের চাকুরীর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। যে নিয়োগপত্র আনোয়ার তাকে দিয়েছে, ওই নিয়োগপত্রই সে এনে আল আমিনের বাবাকে দিয়েছে। আর আল আমিনের বাবার কাছ থেকে যে টাকা সে নিয়েছে তার প্রায় পুরোটাই সে আনোয়ারকে দিয়ে দিয়েছে।
রাজবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, রনি প্রতারক চক্রের একজন সদস্য। ফলে সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র ব্যক্তিগত সহকারীর পিএস নন। সে ওই ভুয়া পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে। তার কাছ থেকে আরো বেশ কয়েকটি আবেদনপত্র এবং একাধিক চেক বইয়ের পাতা উদ্ধার করা হয়েছে। রনিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার পূর্বক আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়








































































































