বালিয়াকান্দি-নারুয়া সড়কের কার্পেটিং: কাজ শুরুর সপ্তাহ না পেরুতেই উঠে গেছে!-
- Update Time : ০৯:০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০
- / ৮২ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
জরুরী ভিত্তিতে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা শহরের প্রধান সড়কের কার্পেটিং-এর কাজ শুরু হতে না হতেই তা উঠে যেতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবী নিয়ম মেনে এই কার্পেটিং-এর কাজ না করায় এমনিটি হচ্ছে। ফলে বৃষ্টি নামলেই আগের মতো ভোগান্তিতে পড়তে হবে সাধারণ মানুষের, আর গচ্ছা যাবে সরকারী অর্থ।
উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সুত্রে জানাগেছে, রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে এলজিইডি’র তত্বাবধানে জরুরী রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে ১৩ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা ব্যয়ে জেলার বালিয়াকান্দি জিসি-নারুয়া জিসি সড়কের বালিয়াকান্দির জিরো পয়েন্ট থেকে ৬ শত মিটার পর্যন্ত ১৫ মিলির সিলকোড কার্পেটিং-এর কাজ শুরু করে রাজবাড়ীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মৃধা এন্টার প্রাইজ। ইতোমধ্যে ওই প্রতিষ্ঠান ১০০ মিটার রাস্তার শেষ করেছে।
বালিয়াকান্দি বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বালিয়াকান্দি-নারুয়া সড়কে কাঁদাপানি মাড়িয়ে চলাচল ও ক্রয় বিক্রয় করে আসছিলেন। সম্প্রতি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিময় না মেনে কাঁদা পানির উপর ঈটের খোয়া ছিটিয়ে কোন রকমে সমান করার পর শুরু করে কার্পেটিং-এর কাজ। তবে রয়ে যায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। গত ৪ জুলাই বিকালে সড়কে বিটুমিন ও কেরসিন তেলের সংমিশ্রনে তৈরী করা প্লানকোর্ড দেয়া শুরু করা হয়। তবে ওই কাজ শুরুর পর পরই মুসলধারে বৃষ্টি হয়। এতে সড়কটি কাঁদামাটিতে একার হয়ে প্রায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। অথচ নতুন করে প্লানকোর্ড না দিয়েই গত ৬ জুলাই ওই কাঁদা মাটির উপর সিলকোড কার্পেটিং শুরু করা হয়। তারা প্রায় ১০০ মিটার কাজ সম্পূর্ণ করে।
গত সোমবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, নতুন সিলকোড কার্পেটিং গুলো সড়ে যাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও তা উঠে যেতে শুরু করেছে। মাত্র এক সপ্তার ব্যবধানে সড়কের এ হাল দেখে স্থানীয় হয়েছেন হতবম্ভ। তাদের দাবী সামান্য সিলকোড কার্পেটিং করে নয়, রাস্তাটি মজবুত ভাবে সংস্কার করতে হবে নতুবা বৃষ্টি হলেই আবার তাদেও কাঁদা মাটির মধ্যে পড়তে হবে। আর সেই সাথে গচ্ছা যাবে সরকারী অর্থ।
ওই রাস্তার কাজের দেখভালোর দায়িত্বে থাকা বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর বাদশা রাজবাড়ী বার্তা ডট কম কে জানান, জরুরী রাস্তা সংরক্ষণের এই কাজটি বিগত ফেব্রুয়ারী মাসে শুরু করার কথা ছিলো। তবে করোনার কারণে সে কাজ শুরু করা হয়নি। তবে করোনা কালিন পরিস্থিতি খানিকটা শিথিল হওয়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি শুরু করে। রাস্তাটা প্রচুর ক্ষতিগ্রস্থ। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভালো ভাবেই কাজ শুরু করে। মূলত ওই সড়ক দিয়ে বালুবাহি ভাড়ি যানবাহন চলাচল করা সিলকোড কার্পেটিং সড়ে গিয়ে তা উঠতে শুরু করেছে। কাজ যেহেতু চলমান সেহেতু কোন সমস্যা নেই। উঠে যাওয়া স্থান পুনরায় সিলকোড কার্পেটিং করা হবে। তবে এতো ব্যস্ত সড়কে নামমাত্র ১৫ মিলির সিলকোড কার্পেটিং করা কতটা যৌতিক এবং সরকারী অর্থেও অপচয় কি না ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আসলে জরুরী রাস্তা সংরক্ষণ কাজ। এ কাজ সম্পূর্ণ হলে মানুষের দূর্ভোগ কেটে যাবে।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী বিমল কুমার দাস রাজবাড়ী বার্তা ডট কম কে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়



































































































