“ব্যবসায় শিক্ষা কেন জরুরি” – লেখক : শিপন আলম –
- Update Time : ০৬:০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০
- / ১৫০ Time View
সম্প্রতি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় সময়ের সাথে সঙ্গতি রেখে, যুগের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞাত করার জন্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলার প্রয়াসে নতুন শিক্ষা পাঠ্যক্রম ঘোষণা করেছেন। নতুন ঘোষিত এ পাঠ্যক্রম পুরোপুরি বাস্তবায়িত হতে লেগে যাবে প্রায় ছয় বছর।
সংবাদ মাধ্যম এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৪ নম্বর লক্ষ্য, বাংলাদেশ উন্নয়ন রূপকল্প ২০৪১ এবং আওয়ামী লীগের ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার- এই চারটি দলিলকে সামনে রেখে পাঠ্যক্রমের এই মহাযজ্ঞ সম্পন্ন হতে চলেছে। নতুন এ পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবইয়ের সংখ্যা ও সিলেবাসে পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন যে পরিবর্তনটি বিশেষজ্ঞসহ সবার নজর কেড়েছে সেটি হচ্ছে নবম-দশম শ্রেণীতে বিভাগ পরিবর্তন না করে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীতে গিয়ে বিভাগ পরিবর্তন। অর্থাৎ আগে যেখানে একজন শিক্ষার্থী নবম-দশম শ্রেণীতে উঠেই বিজ্ঞান, ব্যবসায় ও মানবিক বিভাগের যে কোন একটিকে বাছাই করতে পারতো, এখন তাদের এই কাজটি করতে হবে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীতে উঠে। মাধ্যমিক পর্যায়ে সব শিক্ষার্থীর জন্য অভিন্ন মোট দশটি বিষয় থাকবে। এগুলো হলো- বাংলা, ইংরেজি, গণিত, জীবন ও জীবিকা, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ডিজিটাল প্রযুক্তি, ধর্মশিক্ষা, ভালো থাকা, শিল্প ও সংস্কৃতি। উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা না গেলেও বলা হয়েছে সেখানে প্রত্যেক বিভাগের ছয়টি বিষয়ের প্রতিটির তিনটি পত্র মিলে দুই বছরে মোট আঠারোটি পত্র থাকবে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে মাধ্যমিকে প্রস্তাবিত সাধারণ বিষয়গুলোর বাইরে বিজ্ঞান এবং মানবিক বিভাগের জন্য আলাদা বিষয় (যেমন- বিজ্ঞান বিভাগের জন্য বিজ্ঞান, গণিত এবং মানবিক বিভাগের জন্য সামাজিক বিজ্ঞান) রাখা হলেও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার কোন বিষয় এখন পর্যন্ত রাখা হয় নি। অন্য বিষয়গুলোর ভেতরে কন্টেন্ট আকারে ব্যবসায় শিক্ষার প্রাথমিক জ্ঞান সম্পর্কে কোন পাঠ (ষবংংড়হ) আছে কিনা সেটিও পুরো বই না দেখে অনুমান করা কঠিন। মাধ্যমিক পর্যায়ে যদি শিক্ষার্থীদের ব্যবসায় শিক্ষা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা গ্রহণের সুযোগ না থাকে তাহলে উচ্চ মাধ্যমিকে গিয়ে ব্যবসায় শিক্ষা-কে বিভাগ হিসেবে নিতে অনুৎসাহিত হবে কিংবা যারা নিবে তাদের নিকট ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সিলেবাস সম্পূর্ণ অপরিচিত মনে হবে। ফলে এমনিতেই শিক্ষার্থী সংকটে ভুগতে থাকা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ আরও বেশি শিক্ষার্থী সংকটে ভুগবে। অথচ বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যাকে বেকারত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার নিমিত্তে ব্যবসায় শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।
আমরা জানি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বহুবিধ সমস্যায় আক্রান্ত বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রধান সমস্যা প্রায় আঠারো কোটি জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে না পারা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর জরিপ অনুযায়ী দেশে কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ। তবে আইএলও-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশে বেকারের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। এছাড়াও দেশে মোট শ্রমশক্তির পরিমাণ প্রায় ছয় কোটি হলেও ইউএনডিপি বলছে ২০৩০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ১২ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। কাজেই বেকারত্ব নিরসন এবং জনমিতির সুবিধা (ঢ়ড়ঢ়ঁষধঃরড়হ ধফাধহঃধমব) নিতে না পারলে তা ধীরে ধীরে দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলাসহ সার্বিক অবস্থার ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করবে। তাই শিক্ষিত বেকারত্বের হার নিরসন এবং জনমিতির সুবিধা গ্রহণের নিমিত্তে কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করণে ব্যবসায় শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ব্যবসায় শিক্ষা’র মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও তা সাফল্যের সাথে পরিচালনা করা। ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ সমাজে বিরাজমান নানা সমস্যাকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে নতুন নতুন ব্যবসায়িক ধারণা সৃষ্টি করে তা বাস্তবে রূপদানের মাধ্যমে নিজের এবং অন্যের বেকারত্ব মোচনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে- অহ রফবধ পধহ পযধহমব ুড়ঁৎ ষরভব. ব্যবসায় শিক্ষা এই ধারণা সৃষ্টিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এটি সত্য যে, বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগের তুলনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীদের আসন সংখ্যা কম। কিন্তু বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আসন সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া চাহিদা থাকায় প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ই আসন সংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। চাকরির বাজার বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় তো বটেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ, এমবিএ প্রোগ্রামে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সিঙ্গেল প্রেজেন্টেশন, গ্রুপ প্রেজেন্টেশন, রিপোর্ট রাইটিং, এসাইনমেন্ট জমা, ইয়ার ফাইনাল শেষে ফরমাল ভাইভা গ্রহণ, গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট-গ্রাজুয়েশন সমাপনান্তে থিসিস এবং বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রাম প্রভৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা (ওহঃবৎঢ়বৎংড়হধষ ংশরষষ), কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতাসহ (ঊভভবপঃরাব ঈড়সসঁহরপধঃরড়হ ঝশরষষ) বিভিন্ন দক্ষতার সমাবেশ ঘটাতে সাহায্য করে যা যে কোন জব বিশেষ করে এইচ আর এম (ঐজগ), বিপণণ (মার্কেটিং) জবের জন্য খুবই প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা সীমিত হলেও ব্যবসায় শিক্ষার চাকরির বাজার কিন্তু অন্য বিভাগের চেয়ে তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে আইবিএ ইন্সটিটিউট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে কোন শিক্ষা ভর্তি হতে পারলে চাকরির দরজাটা তার জন্য এক প্রকার উন্মুক্তই হয়ে যায়। বর্তমানে দেশে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত মিলিয়ে ব্যাংকের সংখ্যা ৬৩ টি, বীমা কোম্পানির সংখ্যা জীবন বীমা ও অ-জীবন বীমা মিলিয়ে ৭৮ টি, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৩ টি। এছাড়াও রয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নানা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। এসকল প্রতিষ্ঠানগুলো কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এমবিএ করা শিক্ষার্থীদের চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করে থাকে। চাকরি বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা বিদ্যমান থাকায় এবং সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিতের লক্ষ্যে এ সকল প্রতিষ্ঠানে সবার জন্য চাকরির আবেদনের সুযোগ থাকলেও ভাইভা বোর্ডে ব্যবসায় শিক্ষার প্রার্থীরা কিছুটা হলেও অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। চাকরি পাওয়ার পরের কাজগুলোও তাদের জন্য সহজ হয়ে যায়। আর এসকল খাতে পদোন্নতির জন্য যে পরীক্ষা হয়ে থাকে সেখানেও ব্যবসায় শিক্ষা সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকায় এ শাখার চাকরীজীবীরা ভালো করেন। উদাহরণস্বরূপ ব্যাংক খাতে চাকরি প্রাপ্তির পর সকল ব্যাংকারদের জন্য ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হয়। দুটি লেভেলে বিভক্ত এ পরীক্ষায় ১২ টি পত্রের অধিকাংশই ব্যবসায় শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এ পরীক্ষার হিসাববিজ্ঞান এবং অর্থায়ন সম্পর্কিত বিষয় নন-বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের পরীক্ষার্থীদের নিকট সবচেয়ে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দেখা দেয়। সেই তুলনায় ব্যবসায় শিক্ষার পরীক্ষার্থীরা খুবই ফুরফুরে মেজাজে থাকে।
সীমিত হলেও চাকরির বাজারে কিছু বিশেষ খাত আছে যেগুলোতে লিখিত পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ হতে প্রশ্ন হয়ে থাকে। এসকল খাতগুলোর মধ্যে বাপেক্স (ইঅচঊঢ), বেপজা (ইঊচতঅ), জ্বালানি খাত যেমন- বিদ্যুৎ (ইজঊই), গ্যাস প্রভৃতিতে লিখিত পরীক্ষায় হিসাববিজ্ঞান ও অর্থায়ন সম্পর্কিত বড় ম্যাথ থাকে। যারা এই ম্যাথগুলো করতে পারে তাদের জন্য এসকল ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়া সহজ হয়ে যায়।
ব্যবসায় শিক্ষার আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে এ শিক্ষায় রয়েছে চাকরির বাজারে সবচেয়ে লোভনীয় পেশাগত ডিগ্রী লাভের সুযোগ। সিএ (ঈঅ), এসিসিএ (অঈঈঅ), সিএমএ (ঈগঅ) প্রভৃতি প্রফেশনাল ডিগ্রীর কথা আজ আমরা সবাই কম বেশি জানি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স হচ্ছে চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ডিগ্রি।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন দেখেছি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এমনকি উপ-সচিব বা যুগ্ম সচিব হয়েও অনেকে সান্ধ্যকালীন কোর্সে এমবিএ-তে ভর্তি হয়। আর এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভনিং এমবিএ-র (ঊাবহরহম গইঅ) কদরের কথা আমরা সবাই জানি। অনেকে এটিকে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ হিসেবে চিহ্নিত করলেও এটির চাহিদা কর্পোরেট সেক্টরে বা পেশাগত জীবনে যে আছে তা অস্বীকার করতে পারবেন না।
পেশাগত জীবনের ন্যায় ব্যক্তিগত বা সামাজিক জীবনেও ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীরা সাধারণত স্বভাবগত ভাবেই হিসেবী হয়। ফলে ছোটখাটো যেকোন প্রয়োজনেই তারা চটজলদি হিসেব করতে পারে। তাদের আরেকটি ভাল গুণ হলো তারা সবকিছুকেই টাকার অঙ্কে মূল্যায়ণ করে। ফলে কোন প্রজেক্ট বা প্রকল্পের লাভ ক্ষতির দিকটা দ্রুত সামনে চলে আসে। হিসেবী জীবন যাপন, লাভ ক্ষতির হিসাব আর আর্থিক চিন্তা মাথায় থাকায় তাদের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা গড়ে ওঠে যা তাদের নিজের ও পরিবারকে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ পেতে সহায়তা করে।
বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে পরাক্রমশালী দেশগুলোর মধ্যে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি অন্যতম। ইসরায়েল রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করেছে সে দেশের গুণগত এবং বাস্তবমুখী ব্যবসায় শিক্ষা। সে দেশের সকল শিক্ষার্থীর জন্য মাস্টার্সে ব্যবসায় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু তাই নয় আমাদের দেশে যেমন নামমাত্র ইন্টার্নশিপ বা থিসিস পেপার জমা দিতে হয় সে দেশে কিন্তু তেমনটি নয়। ব্যবসায়ের নতুন ধারণা (ইঁংরহবংং ওফবধ) সৃষ্টি করে সেটিকে বাজারে প্রয়োগ করে এক মিলিয়ন ডলার উপার্জন করলেই কেবল তাকে সনদ প্রদান করা হয়। তাই ইসরায়েলের প্রত্যেক শিক্ষার্থী ছাত্রাবস্থায়ই হয়ে ওঠে একজন তুখোড় ব্যবসায়ী। আর এ কারণেই বিশ্ব বাণিজ্যের শতকরা প্রায় ৭০ শতাংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইসরায়েলের দখলে।
বর্তমান যুগ ব্যবসায়ের যুগ। হাদীস শরীফে আছে- ‘আমাদের জীবিকার শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ আসে ব্যবসা থেকে।’ কোন জাতির রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, সমরনীতি, পররাষ্ট্রনীতিসহ প্রায় সকল বিষয়ের সাথে সে জাতির ব্যবসায়িক শক্তিমত্তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডঞঙ) র্যাংকিং-এর দিকে দৃষ্টি দিলেই এ সত্যটি ধ্রুব হয়ে ধরা দেয়। তাই বেকারত্বের অভিশাপ থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে হলে, বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে, তরুণদেরকে আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করতে হলে সময়োপযোগী ব্যবসায় শিক্ষার ওপর বর্তমান শিক্ষা-বান্ধব সরকার অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করবেন এটিই বাঞ্ছনীয়।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়









































































































