শহিদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা: আনিচ মেম্বারসহ গ্রেপ্তার ৪ –
- Update Time : ০৬:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০
- / ৬২ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া এলাকায় শহিদ শেখ (৫৫) নামে এক ইটভাটা মালিককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে চিহ্নিত করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সাথে পুলিশ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহত শহিদ সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের খোলাবাড়ীয়া গ্রামের মৃত ইব্রাহিম শেখের ছেলে।
মামলার বাদী ও নিহত শহিদের ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেন দিপু জানান, ২০১৪ সালে পাশ^বর্তী দয়ালবন্ধু গ্রামের আতœীয় সাত্তারকে হত্যা মামলার আসামী আমজাদ, ওহাব ও রাসেলের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছিলো নিহত শহিদ।
অপরদিকে সম্ভব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রবাসী আলালের পক্ষে সহ¯্রাধিক পরিবারে ত্রাণ সামগ্রীও তুলে দেন শহিদ। এতে শহিদের ওপর ক্ষুব্দ হন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আলমগীরের শ্যালক মামুন কাজী ও সুমন কাজী।
অপরদিকে, জামিনে বের হয়ে এলাকায় অবস্থান করছে আমজাদ, ওহাব ও রাসেল। তারা যৌথভাবে শহিদকে হত্যার পরিকল্পনা করে। যার অংশ হিসেবে গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে নিজ মোটরসাইকেল যোগে শহিদ শেখ তার ফুপাতো ভাই মোজাহার শেখকে পেছনে বসিয়ে খানখানাপুর বাজার থেকে বাজার করে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে মোটরসাইকেল আরোহি দূর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে এবং তার মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদের মৃত্যু হয়।
শনিবার বিকালে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রাজবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দুই সন্তানের জনক শহিদ একজন ইট ভাটা মালিক। তাছাড়া এলাকায় খাকিটা প্রভাবশালী হওয়ায় নিয়মিত ভাবে গ্রাম্য সালিশ দরবারও সে করতো।
ঘটনাস্থল থেকে শহিদের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার আসামি আনিচ শেখ ওরফে আনিচ মেম্বার, হালিম মোল্লা এবং অজ্ঞাত আসামি মিজান ও পাষানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফেসবুক থেকে এ ভিডিওটি দেখা না গেলে TV Rajbari লিখে ইউটিউবে সার্চ দিলেও দেখা যাবে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়








































































































