রাজবাড়ীতে শিশু এবং কিশোরদের হাতে দামী ও ভারী মোটরসাইকেল, মৃত্যুর মুখে এএসআই –
- Update Time : ১০:১৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২২
- / ৫৪ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
কতিপয় অভিভাবকরা সাম্প্রতিক সময়ে রাজবাড়ী জেলার প্রায় সর্বত্র শিশু ও কিশোরদের হাতে ভারী ও দামি মোটরসাইকেল তুলে দিয়েছেন। আর ওই সব মোটরসাইকেল পেয়ে বেপরোয়া গতিতে চালনা করছে শিশু ও কিশোররা। এমনি এক বেপরোয়া গতির কিশোরের মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মারাত্নক আহত হয়ে জীবন মৃত্যুর মাঝে পতিত হয়েছেন, রাজবাড়ীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এএসআই মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী (৪০)। তিনি মুমুর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। এ ঘটনায় শনিবার সকালে রাজবাড়ী থানায় ৩ জন কিশোরের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ওই তিন জন কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।
ওই মামলার বাদী ও রাজবাড়ী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ তানভীর হোসেন খান রাজবাড়ী বার্তা ডট কম কে জানিয়েছেন, গত শুক্রবার বিকালে জেলা কার্যালয়ে কাজ শেষে পায়ে হেটে নিজ বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন এএসআই মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি জেলা শহরের প্রধান সড়কের জেলা ও দায়রা জজের বাস ভবনের সামনে পৌছতেই চালকসহ তিন জন কিশোরবাহি একটি দ্রুত গতির মোটরসাইকেল পেছন থেকে এএসআই মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরীকে ধাক্কা দেয়। এতে মারাতœকভাবে আহত হন এএসআই মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী। স্থানীয়রা ওই তিন জন কিশোরকে আটক করার পাশাপাশি আহত নুরুজ্জামানকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধিন রয়েছেন নুরুজ্জামান। তবে তার শাররীক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়।
জানাগেছে, রাজবাড়ী জেলা শহরে বেশ কিছু দিন ধরে বেপরোয়াগতিতে শিশু ও কিশোররা মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছে। যাদের নেই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স। দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালানোই অহরহ হচ্ছে দূর্ঘটনা।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিশু ও কিশোরদের চালনার দ্রুতগতির মোটরসাইকেল আটক করা হলে কোন কোন সময় তাদের বিব্রতকর অবস্থার শিকার হতে হয়। দেখাযায় অধিকাংশ জেলা শহরের পরিচিত মানুষের সন্তান।
জেলা ট্রিফিক পুলিশের টিআই তারক চন্দ্র পাল রাজবাড়ী বার্তা ডট কম কে জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত ভাবে অভিযান পরিচালনা করে লাইসেন্স ও রেজিষ্ট্রেন বিহিণ মোটরসাইলে আটক ও জরিমানা করে আসছেন। ওই সব অভিযান চলাকালে কোন কোন সময় শিশু ও কিশোরাও আটক হয়ে থাকে। মূলত ওই সব শিশু ও কিশোরের চাইতে তাদের অভিভাকরা এ জন্য বেশি দায়ি। ফলে তারা অভিভাবকদের সচেতন করার চেষ্টা করছেন। যাতে ভাড়ি ও দ্রুতগতির মোটরসাইকেল গুলো কোন ভাবেই যেন শিশু ও কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া না হয়।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































