রাজবাড়ীতে ভাঙ্গন ঝুঁকিতে শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ, প্রায় ৯ হাজার পরিবার পানিবন্দি –
- Update Time : ১১:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০
- / ৭০ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় ১ সেন্টিমিটার কমলেও তা এখনো বিপদ সিমার ১০৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যে কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরের এলাকা গুলো এখনো বন্যার পানিতে নিমজ্জিত। এতে প্রায় ৯ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পরেছে। এরই মাঝে জেলা সদর, পাংশা, গোয়ালন্দ ও কালুখালী এলাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। তবে সবচেয়ে বিপদ জনক অবস্থা দেখা দিয়ে রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধের সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ি এলাকায়। ৪০ মিটার এলাকা ঝুকিপূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে অতংকের সৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে জরূরী ভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, গত কয়েক দিন ধরে গোপালবাড়ি এলাকার তারাই ব্যাপারী ও হাকিম বিশ্বাসের বাড়ী সংলগ্ন রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধ পানি চোয়ার কারনে পানি প্রবেশ করতে থাকে। এতে করে এলাকাবাসীর মধ্যে বেড়ি বাঁধ ভাঙন আতঙ্ক দেখা দেয়। বিষয়টি জানার পর গত সোমবার বিকাল থেকে ভাঙ্গন রোধে বালু ভর্তি সাড়ে ৪ শত জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার একেএম ওহেদ উদ্দিন চৌধুরী এবং বুধবার সকালে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলশাদ বেগম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সারোয়ার আহম্মেদ সালেহিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাঈদুজ্জামান খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষ রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানান, ঝুকিপূর্ণ স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। একই সাথে স্থানীয়দেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যদি কোন ধরণে ফাটল ও পানি চোয়ানে তারা দেখে তাহলে দ্রæততার সাথে যেন সংবাদ পৌছে দেন তারা। তিনি আরো বলেন, জেলার ৮ হাজার ৮শত ২০ টি পরিবার এখ পানি বন্ধি। ইতোমধ্যে ওই সব পরিবারের মাঝে ১৩০ মেট্রিকটন চাল, নগদ ১লাখ ৬০ হাজার টাকা, শিশু খাদ্য বাবাদ ২লাখ টাকা এবং গবাদি পশুর খাদ্য বাবদ আরো ২লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































