রাজবাড়ীতে জন্ম নিবন্ধন সনদ ও ভুলত্রুটি সংশোধনে চরম ভোগান্তি –
- Update Time : ০৯:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অক্টোবর ২০২১
- / ৫৩ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
অনলাইন নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরী এবং পুরাতন নিবন্ধনের ভুলত্রুটি সংশোধনে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। বিশেষ করে জাতীয় পরিচয়পত্র নেই এবং ১৮ বছরের নিচের শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীরা পরেছে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে। তারা এ সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানাগেছে, জমি রেজিষ্ট্রে, বেচা-কেনা, ব্যাংক, বীমা, স্কুলে ভর্তিসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী কার্যক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি জন্ম নিবন্ধন সনদের প্রয়োজনীয়তা এখন অপরিহার্য বিষয়। তবে হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন ভিত্তিক হবার পরই শুরু হয়েছে সীমাহিন দূর্ভোগ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাংলায় লেখা তথ্যাদি অনলাইনে আপলোড করে রাখা হয়েছে। তবে ওই সব তথ্য ইংরেজিতে না থাকায় তা সংশোধন করতে বলা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জটিলা আরো বেশি। অনলাইনে কোন শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সংশোধ করতে গেলেই চাওয়া হচ্ছে বাবা ও মা মৃত কি না। অর্থাৎ বাবা ও মায়ের জন্মনিবন্ধন আগে সংশোধন করে তার পর সন্তানের জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে হচ্ছে। ফলে রাজবাড়ী জেলার বেশির ভাগ ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে এখন সাধারণ মানুষের নাজেহালের চিত্র ফুটে উঠেছে। মাসের পর মাস প্রতিক্ষা করতে হচ্ছে তাদের।
ভুক্তভোগী রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের আব্দুল খালেক, বরাট ইউনিয়নের সাহেব আলী, দাদশী ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম বলেন, একটি নতুন জন্ম সনদ তৈরী বা ভুল সংশোধন করে তা হাতে পেতে তাদের এক মাসেরও অধিক সময় প্রতিক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে তারা সময় মত তাদের কাজ করতে পারছেন না। তারা মনে করে বিষয়টি আরো সহজিকরণ করা প্রয়োজন। তা না হলে থামবেনা এই দূর্ভোগ।
সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, মিজানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সি বলেন, বর্তমানে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ও সনদ তৈরীতে সময় ও সমস্যা বেশি হচ্ছে। প্রথম দিকের মত ইউনিয়ন পরিষদে অধিনে নিবন্ধন তৈরীর প্রক্রিয়াটা থাকলে জনগনের ভোগান্তি কম হত। উপজেলার আওতায় ভুল সংশোধন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সময় এবং ঝামেলা বেশি হচ্ছে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মাহাবুর রহমান জানিয়েছেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ৪৫ দিনের মধ্যে করতে সরকারী বিধান রয়েছে। কিন্তু সময় মত এ নিবন্ধন না করার কারনে সমসা বাড়ছে। জন্ম ও মৃত্যুর সাথে সাথে নিবন্ধন করা হলে এ সমস্যা কমে যাবে। সমস্যা নিরসনে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জন ভোগান্তি কমাতে চেয়ারম্যান ও মেয়রদের সাথে আলোচনা করে জনগনকে সচেতন করা চেষ্টা করছেন। তবে সঠিক ভাবে তথ্য প্রদান করা হলে কমসময়ে নিবন্ধন করা যাবে, কমে যাবে ভোগান্তিও।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































