রাজবাড়ীতে চেতনানাশক ওষুধে প্রাণ গেলো আ:লীগ নেতার, মৃত্যুশয্যায় স্ত্রী
- Update Time : ১১:২৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- / ৫৫৪ Time View

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
স্বামী ও স্ত্রীকে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে মালামাল লুটের ঘটনার পর আর জ্ঞান ফেরেনি ওই দুই জনের। এর মধ্যে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, আর স্ত্রী রয়েছেন অচেতন অবস্থায় আইসিইউতে। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের আহলাদিপুর গ্রামে। মৃত ব্যক্তির নাম রতন কুমার দাসের (৭০) এবং তার স্ত্রীর নাম কনিকা রানী নাগ (৬০)। রতন কুমার দাস শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক এবং তার স্ত্রী স্থানীয় মধুপুর ছকিরন নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
জানাগেছে, আওয়ামী লীগ নেতা রতন কুমার দাসের গত শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে গত শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের আহলাদিপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ঢুকে রতন কুমার দাস ও তার স্ত্রীকে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার লুট করে দুর্বৃত্তরা।
রতন কুমার দাসের ছোট ভাই নান্টু দাস জানান, তার বড় ভাই রতন কুমার দাসের ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা ও কর্মক্ষেত্রের কারণে ঢাকায় থাকে। বাড়িতে ভাই ও ভাবি দুজনেই থাকেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাই-ভাবির সঙ্গে আমাদের কথা হয়। এরপর তারা তাদের ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। গত শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে এক শিক্ষার্থীর মা তার সন্তানকে প্রাইভেট পড়াতে নিয়ে এসে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। তিনি ঘরে ঢুকে তাদের খাটের ওপর অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি আমাদের খবর দিলে আমরা গিয়ে ভাই-ভাবিকে উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে ওই দিন রাত ১১ টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক ভাইকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাবি ওই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
নান্টু দাস আরও বলেন, আমাদের ধারণা সংঘবদ্ধ কোনো অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের ঘরে ঢুকে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার লুট করেছে। এ ঘটনায় আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে।
রাজবাড়ী থানার ওসি ইফতেখারুল আলম প্রধান জনিয়েছেন, জেলা পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রবিবার বিকাল পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ না পেলেও তারা তদন্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি অপরাধিদের গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করেছেন।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































