ছোটগল্প ‘কাক’ : লেখক – সা লা ম তা সি র –
- Update Time : ১০:১৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১
- / ৪৪ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
বকুলতলা সানবাঁধানো ঘাট। একটি কাকের স্নান দৃশ্য দেখে পাশের বাড়ির সেঁজুতি নয় বছর পর পানিতে নেমেছিলো। আজ মেয়েটির গায়ে হলুদ চারিপাশে কিশোর কিশোরীদের আনন্দ উল্লাস,মেয়েটির দিকে উৎসুক দৃষ্টি সবার। উঠোনে বালতি ভর্তি সাবান জল, পাশেই দু’টি কাঠের পিঁড়ি দেখে সানবাঁধানো ঘাট মনে হলো । কাছে গিয়ে চুপি চুপি বললাম আহা এই শুভলগ্নে সেদিনের প্রিয় কাকটা যদি পাশে থাকতো…! সেঁজুতি স্মৃতি রোমন্থনে নয় বছর আগে ফিরে গেলো। কাকের সেই স্নানদৃশ্য মনের দর্পনে এনে অনুভবে সুখের পসরা সাজিয়ে নিলো। শেষ বিকেলের আলোয় কাক রঙ ছায়া দেখতে পেলো।
মেয়েটি মনের অজান্তেই ফিরে গেলো সানবাঁধানো ঘাটে,সবুজ অরণ্যের শাখায় শাখায় দৃষ্টি প্রসারিত চোখ তারপর তীর্যক দৃষ্টি মেলে ধরে নীলাকাশ নক্ষত্রের দেশে। কিন্তু কোথাও কাকের কোন অস্তিত্ব নেই।
সেঁজুতি ভাবে একটা কাকের আয়ুষ্কাল কত বছর! সেই চৈত্রের দুপুর,সান-বাঁধানো ঘাট এবং আজকের গায়ে হলুদ; মাঝখানে নয়টি বছর। মেয়েটির ভাবনাকে নিজের করে নিয়ে আমারও মনে প্রশ্ন জাগে সেই কাকটি এখন কোথায়,সে কী বেঁচে আছে? হয়তো বেঁচে আছে আমার ভাবনার অজানা সত্যের অনুকুলে সে যেন সত্য হয়েই থাকে।
সেঁজুতির বিয়ের এক বছর পর দেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।সংশয়ে দিন কাটে মা চারুবালা দেবীর। একমাত্র ছেলে স্বাধীন মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে। তার লাশের কোন সন্ধান মেলেনি আজও। এ খবর চারুবালার কাছে এখনো অজানা। অসহায় চারুবালা দেবী ছেলের অপেক্ষায় পথচেয়ে থাকে। অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হয়, নিরব বেদনায় দু’চোখের জলে বুক ভাসে।এদিকে মেয়ে সেঁজুতি সন্তান সম্ভবা, দেশ তখন যুদ্ধ জয়ের দ্বারপ্রান্তে হঠাৎ একরাতে মেয়েটি প্রসব বেদনায় ছটফট করতে থাকে। অসহায় মা চারুবালা দেবী। চারিদিকে যুদ্ধের দামামা, কোথাও কেউ নেই এই বিপদে কে তাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে। এমন হাজারো প্রশ্ন বুকে জড়িয়ে মেয়েকে হাসপাতালে নেয়ার চিন্তা করে।কিন্তু কিভাবে নিয়ে যাবে, কোন যানবাহন না থাকায় মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে বাড়ীতে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে সেঁজুতি। তারপর এক বিয়োগান্তক ঘটনা,পৃথিবীর আলো দেখা মাত্র সদ্য প্রসূত শিশুর প্রথম কান্নায় পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মা-সেঁজুতি।জন্মের প্রথম লগ্নেই মা’কে হারিয়ে মেয়েটি সবুজের হৃদয় ভূমিতে রক্তিম সূর্যের দেখা পায়।
সকল দুঃখ মাথায় নিয়ে যে মেয়েটি ভূমিষ্ট হলো ঠাম্মা আদর করে তার নাম রাখেন বিজয়া। একমাত্র ছেলে স্বাধীন সেই যে যুদ্ধে গেলো আর ফিরে এলো না। তাই বিজয়ের এই মাসে ভূমিষ্ট হওয়া মেয়েটির নাম রাখেন বিজয়া।
বিজয়ার বয়স বছর না ঘুরতেই একদিন বাবা কৌশিক মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যায়। সদ্য স্বাধীন দেশে একমাত্র ঠাম্মা ছাড়া আপন বলতে আর কেউ রইলো না বিজয়ার জীবনে।
নিজের অজান্তেই অকুল সাগরে ভাসতে থাকে চারুবালা। একমাত্র সম্বল নাতনীকে বুকে আগলে রাখে, আদর যতেœ বড় করতে থাকে। সেঁজুতি যেদিন মারা গেলো সেদিন সকাল থেকে খুব কাক ডাকছিলো। চারুবালা সেকালের মানুষ, তিনিও কুসংস্কার মুক্ত নন তাই তিনিও বিশ্বাস করতেন কাক সব সময় দুঃসংবাদ বয়ে আনে। বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসের পার্থক্য করতেন না কেউ। তাই তিনিও বিশ্বাস করতেন কাক মৃত্যুর সংবাদ নিয়ে আসে। সে সারা জীবন দেখেছে কৃষকের গরু মারা গেলে সেই মৃত গরুটাকে মাঠের উম্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখা হতো। দাদু বলতেন কাকই গরু মরার খবর নিয়ে শকুনের দেশে যায়। কাকের নিমন্ত্রন নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য কেউ কখনো দেখেনি তবে শকুন যে দলবেঁধে এসে সেই মরা গরুটাকে দুই-তিনদিন ধরে খেয়েছে এটা দেখেনি এমন মানুষ তখন কমই ছিল। এখন মানুষ কুসংস্কার থেকে বেড়িয়ে এসেছে আকস্মিক কোন ঘটনাকে কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখে। মানুষ তখন অজ্ঞতাবসেই শকুনকে বাঁচিয়ে রেখেছে শত শত বছর কারণ তারা পরিবেশ ও বায়ু দূষনের কথা বিবেচনায় না এনে মৃত গরুটাকে মাঠে ফেলে রাখতো। এক্ষেত্রে কাক বায়ু দূষনের হাত থেকে মানুষকে রক্ষার জন্য শকুনকে আমন্ত্রন জানাতো। বিজ্ঞজনেরা কাককে পরিচ্ছন্নতা কর্মী বা পরিবেশ বান্ধব পাখি বলেন। কথাটা মিথ্যা নয়। কখনো কখনো কাক মানুষের প্রকৃত বন্ধু হয়ে যায়। অথচ বাড়ীর আঙিনায় ক্ষুধার্ত কাকের ডাক শুনে অনেকেই দুর-দুর করে তাড়িয়ে দেয়।
বিজয়া বড় হতে থাকে। দিনের আলোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখে অথচ রাতের নির্জনে প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে তার জীবন। সে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যায় এবং উপভোগ করে আঁধারের শৈল্পিক রূপ। প্রতিদিন সকালে একটি কাক এসে মা সেঁজুতির লাগানো সজনে গাছটায় বসে কা কা কা শব্দ করে বিরতিহীন । বিজয়া কাকের কা কা ডাককে মা মা মনে করে; ভাবে পাখিটা ওকে মা মা বলে ডাকছে। জন্মের পর মাকে দেখেনি তাই নিরব বেদনায় কাকের সাথে তার মা মা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রতিদিন সকালে নিজের খাবার থেকে অর্ধেকটা কাকের জন্য নির্দিষ্ট পাত্রে রেখে স্কুলে যায়। কাক এসে কা কা রবে বিজয়াকে জানান দেয় তারপর নির্দিষ্ট পাত্রে রাখা খাবার খেয়ে দূরে কোথাও চলে যায়। ঠিক এভাবেই কাকের সাথে বিজয়ার মা-সন্তানের ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সেদিন ছিলো শনিবার। বিজয়ার বার্ষিক পরীক্ষার প্রথম দিন কাকের খাবার না রেখে তড়িঘড়ি করে স্কুলে চলে যায়। ক্ষুধার্ত কাক নির্দিষ্ট সময়ে এসে সজনে গাছটায় বসে কা কা স্বরে ডাকতে থাকে, বার বার খাবার পাত্রের দিকে তাকিয়ে শূন্য থালা পড়ে থাকতে দেখে। বাড়ীতে কারো কোন সাড়া না পেয়ে বিমর্ষ বদনে অজানার উদ্দেশ্যে উড়ে যায়।
এদিকে ঠাম্মা পাশের বাড়ী ধান ভানতে যাওয়ায় কাকের খাবার রেখে যায়নি, রাখার কথাও নয় কারণ এ কাজটা সব সময় বিজয়া করে থাকে। পরের দিন সকালে বিজয়া নিজে না খেয়ে কাকের খাবার নিয়ে সারা বাড়ী ঘোরে কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পায় না।
ওর মন খারাপ,ঠাম্মাকে জিজ্ঞেস করে জানতে চায় আজ কাক এলো না কেন ঠাম্মা? গতকাল এসেছিলো কিনা সেটাও জানতে চায়। ঠাম্মা নিজেকে অপরাধী ভাবে কারণ গতকাল সে কাকের খাবার না দিয়েই অন্যের বাড়ী কাজে চলে যায়। নাতনীর কথায় বিচলিত হন ঠাম্মা তিনি ভয়ে ভয়ে বলেন গতকাল আমি তো খাবার দিতে ভুলে গেছি। হয়তো এসেছিলো খাবার না পেয়ে অভিমানে ফিরে গেছে। ঠাম্মার কথা শুনে বিজয়ার চোখে দু’ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো। অভুক্ত বিজয়া বিছানায় শুয়ে সারাদিন কেঁদেছে। ঠাম্মা এ পাড়া ও পাড়া খুঁজে কোথাও কাকের দেখা পায় না। এদিকে ভালোবাসার কাককে হারিয়ে বিজয়া পাগল প্রায়, নিদ্রাহীন সারারাত। ভোররাতে চিঠি লেখে আকাশের ঠিকানায়…
প্রিয় কাক,
তোমার অভিমান দীর্ঘ হলে আমার অস্তিত্ব জুড়ে হাহাকার নেমে আসে। প্রিয় বন্ধু ভুল করেছি আমি! এই অনিচ্ছাকৃত অপরাধবোধ আমার অন্তর পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। গতকাল আমার প্রথম পরীক্ষা থাকায় আমি ভুল করে তোমার খাবার রেখে যেতে পারিনি। তাই বলে তুমি অভিমানে মুখ ফিরিয়ে নিবে? তুমি কী জানো দু’দিন হলো আমিও জল স্পর্শ করিনি। তোমাকে খুঁজতে গিয়ে দেরী হওয়ায় ঠাম্মা আজ কাজে যেতে পারেনি। তুমিই বলো ঠাম্মা কাজে না গেলে আমরা কি খেয়ে বাঁচবো।তুমি যেখানেই থাকো আমাকে ক্ষমা করে দাও। তুমি সকল অভিমান ভুলে ফিরে এসো নইলে আমিও কোন খাবার মুখে দেবো না। প্রিয় বন্ধু সেদিনের কথা মনে নেই তোমার!
যেদিন মোল্লাবাড়ীর উঠোনে ক্ষুধার অন্ন খুঁজতে গিয়ে দু’টি ছেলে তোমার প্রাণনাশের চেষ্টা করেছিলো? সেদিন ঠাম্মা এসে তোমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলো! খবর পেয়ে আমি ছুটে গিয়েছিলাম ততক্ষনে তুমি আমাদের সজনে গাছটায় আশ্রয় নিয়েছিলে। জানো বন্ধু আমার খুব ইচ্ছা হয় আমি কাক হয়ে যদি তোমার মতো উড়তে পারতাম তাহলে তোমাকে ঠিক ঐ সবুজ অরণ্য থেকে ফিরিয়ে আনতাম। তোমাকে নিরাপত্তা দিতে পারতাম। মাঝে মাঝে ভাবি মানুষকে শত চেষ্টার পর মানুষ হতে হয় অথচ মানুষ কেন যে চেষ্টা করে না? এই যে আমরা শ্রেষ্ঠ জীবের মর্যাদা নিয়ে পৃথিবীতে আসছি। আমাদের জীবন তো পাখির জীবনও হতে পারতো? যাদের মাথা গোঁজার ঠাই নেই,খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, জীবনের সুরক্ষা নেই। সে যাক তুমি তো জানো না সেদিন বিকেলে ঠাম্মাকে সন্দেশ কিনে খাইয়েছিলাম। ঠাম্মা জানতে চাইলো দি-ভাই সন্দেশ কেন-রে আবার! কোন সু-সংবাদ দিবি নাকী?
আমি উচ্চস্বরে হেসে বলেছিলাম না না ঠাম্মা তেমন কিছু না তবে তোমাকে একদিন ভালোবাসার গল্প শোনাবো।
জানো বন্ধু, ভালোবাসার কথা শুনে ঠাম্মা আমার দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলো অনেক্ষণ তার দু’চোখে হাজার নদীর জল গড়িয়ে পড়তে দেখেছি। আমি তো জন্ম থেকেই জ্বলছি আর ভাসছি অথৈ সাগরে তাই স্বেচ্ছায় নিজেকেই আড়াল করে নিলাম। ঠাম্মার কাছে শুনেছি ঠাকুরদা গত হয়েছেন উনিশ বছর আগে সেই থেকে কেউ কোনদিন তাকে ভালোবাসার গল্প শোনায়নি।
বুকের ভেতর পাথরচাপা দুঃখ নিয়ে স্বামী, সন্তান হারিয়ে নিঃস্ব। একমাত্র আমি ছাড়া এই স্বাধীন স্বদেশ ভূমিতে তার কেউ নেই।
আমার দুঃখের সাগরটাকে আর গভীর করো না বন্ধু। তুমি ফিরে এসো,দেখে যাও তোমার মা-বন্ধু রাতে নিদ্রাহীন আর দিনে পথ চেয়ে তোমার অপেক্ষায়। তুমি তো জানো না ঠাম্মা তোমার জন্য কত কিছু রান্না করে রেখেছে তুমি না খেলে আমি কি খেতে পারি?আমার অনিচ্ছাকৃত অপরাধ ক্ষমা করে দিও। তোমার অপেক্ষায় রইলাম।
ইতি, তোনার মা-বন্ধু বিজয়া।
একদিন পবারনা পূর্ণিমা রাতে সানবাঁধানো ঘাটে বিজয়া একা বসে মায়ের কথা ভাবছে। হঠাৎ স্বচ্ছ্ব জলে একটা কাকের ছায়া দেখতে পায়। সে নিজেকে আবিষ্কার করে অন্য এক উচ্চতায়। সে ভাবে ভালোবাসা হয়তো রাতের আঁধারেই চাঁদের মতো সুন্দর হয়ে ওঠে। প্রিয় রঙ অন্ধকারেও প্রিয় হয়ে মনে হয়।কাকরঙ সৌন্দর্যের কাছে আমরা হেরে যাই কখনো কখনো। দিনের আলোতে চাঁদ অদৃশ্য তাই দিনে প্রয়োজনহীন চাঁদ প্রিয় হয় না কখনো।প্রিয় হয় তখনই যখন রাতের আঁধারে জোছনা ছড়ায়। অসুন্দরের মাঝে যখন সুন্দরের প্রকাশ ঘটে তখনই সুন্দরের জয় হয়।
একদিন চৈত্রের দুপুর। ক্ষুধার্ত কাক নারিকেল গাছের মাথায় বসে মা’কে ভাবছে ঠিক তখই দক্ষিণের হাওয়ায় ভেসে আসে বিজয়ার সনির্বন্ধ আকুতি। সে অনুভবের আয়নায় বিজয়ার পাঠানো চিঠি দেখে নেয়। তারপর বাতাসে ডানা মেলে দেয়, ঝড়ের গতীতে ফিরে আসে মায়ের সান্নিধ্যে। আজ আর সজনে গাছে নয় সরাসরি বিজয়ার পড়ার ঘরে। বিজয়া কাকটাকে বুকে জড়িয়ে ধরে অনেক্ষণ কাঁদে। আদর করে ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করে। ঠৌঁটে তৃষ্ণার জল তুলে দেয়, ভাত খাইয়ে দেয়,পৃষ্ঠাজুড়ে ছবি আঁকে।
সেদিন কাকটি কোথায়ও যায়নি, বিজয়ার ঘরেই রাত কাটায়। ঠাম্মা দেখে ঈশ্বরকে প্রণতি জানায় হে পরমেশ্বর আমার বিজয়াকে ভালো রেখো ওকে দুঃখ দিও না।
ভোরের মৃদু আলোয় কাকটি বাইরে যাবার পথ খুঁজছিলো। বিজয়া বুঝতে পেরে তার কালো ডানায় ভালোবাসার রক্তিম চিহ্ন এঁকে দেয়। ঠাম্মাকে বলে রাখে এই যে ভালোবাসার রঙ মেখে দিলাম ও যখনই আসবে আদর করে খাওয়াবে যেভাবে আমাকে খাওয়াও। যাবার বেলায় প্রিয় কাকটিকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলে পাখিকুলে তোমার জন্ম হয়েছে তাতে কি! তুমি আঁধারের রঙ গায়ে মেখে কালো হয়েছো তাতেও কিছু যায় আসে না।আমি তো জানি সত্য সৌন্দর্য অন্তরে, কালোর একটা সৌন্দর্য আছে ; আছে কাব্যিক রূপ। তোমার কাজল কালো চোখের তারায় যে সত্য প্রস্ফুটিত ফুলের মতো তার শিল্পীত সৌন্দর্যই আমার ভালোবাসার অনুসঙ্গ।
লেখক – সা লা ম তা সি র – ২২.১২.২০২১
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































