গোয়ালন্দে কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে বিকাশে উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ –
- Update Time : ০৯:০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
- / ৫৮ Time View
শমীম শেখ,রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা নিশ্চিত করার নাম করে বিকাশের মাধ্যমে তাদের হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র।
বোর্ড কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে চক্রটি এ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সরকারীভাবে দেয়া উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিতে বেশ কিছুদিন ধরে একটি প্রতারক চক্র কাজ করছে।
এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি কলেজ পর্যায়ে উপবৃত্তিপ্রাপ্তদের প্রকাশিত তালিকা ধরে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তারা টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ক্ষেত্রে তারা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পরিচয়ে গোয়ালন্দ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে বিভিন্ন নম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের নাম-ঠিকানা ও বাবা-মায়ের নাম এমনকি কলেজের ক্লাস রোল পর্যন্ত ঠিকঠাক বলে।
স্হানীয় আব্দুল হালিম মিয়া কলেজের অন্তত ২০/২৫ জন শিক্ষার্থী তাদের উপবৃত্তির টাকাসহ তাদের বিকাশে থাকা অন্য টাকাও খুইয়েছে।
আবদুল হালিম মিয়া কলেজের শিক্ষার্থী মুক্তার হোসেন বলেন,কয়েকদিন আগে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয়ে এক ব্যাক্তি আমাকে জানায় যে আমি উপবৃত্তির ২৪ শত টাকা পেয়েছি।
তিনি মোবাইল ফোনে আমার নাম, বাসার ঠিকানা, শ্রেণি রোল সবকিছু ঠিক ঠাক বলে। তারপর বলে, তোমার মোবাইলে একটি নাম্বার যাবে সেই নাম্বার আমাকে তারাতাড়ি জানাও। তারপর টাকা তোমার নাম্বারে চলে যাবে। সব কিছু ঠিকঠাক বলাতে আমার বিশ্বাস চলে আসে এবং আমি তার কথার ফাঁদে পড়ে আমার বিকাশের পিন নাম্বার বলে দেই। সাথে সাথে আমার মোবাইল হতে ২৫ শত টাকা উধাও হয়ে যায়।
কলেজের ছাত্রী মহিবা আক্তার , ঝর্না খাতুনসহ আরো কয়েকজন জানান, প্রতারক চক্রটি তাদের বেশকিছু ছাত্র- ছাত্রীর টাকা এভাবে পিন নাম্বার নিয়ে মেরে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে আব্দুল হালিম মিয়া কলেজের অধ্যক্ষ বিলকিস আক্তার নয়া বলেন, আসলে ব্যাপারটি বেশ দুঃখজনক। কে বা কারা এভাবে ছাত্র ছাত্রীদের প্রতারনায় ফেলে টাকা হাতি সাথে প্রতারণা করে এভাবে টাকাগুলো নিলো তার অনুসন্ধান পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মাসুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। কলেজের অধ্যক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। এ বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আরো সতর্ক থাকা উচিত ছিল। কেননা উপবৃত্তির টাকা সরাসরি তাদের বিকাশ নাম্বারে চলে যায়। এ ক্ষেত্রে তাদের কারো সাথে কোনরুপ তথ্য শেয়ার করার দরকার নেই। তবে আমার বা প্রশাসনের কারো পরিচয় দিয়ে কেউ কিছু বললে সে ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের উচিত ছিল আমাকে বা তাদের প্রিন্সিপালকে বিষয়টি জানানো। এ বিষয়ে আমি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরো সতর্ক থাকার আহবান জানাচ্ছি।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































