গোয়ালন্দের মরা পদ্মায় অভিযান, ৩০ অবৈধ ড্রেজার ধ্বংস, থানায় মামলা –
- Update Time : ১০:৩০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০
- / ৬৮ Time View
আজু সিকদার, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের মরা পদ্মা নদীতে দুইদিনের সাড়াশি অভিযানে ৩০টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও লক্ষাধিক ফুট পাইপ ধ্বংস করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এছাড়া মঙ্গলবার বিকেলে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় অবৈধ ড্রেজিং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এক বাকপ্রতিবন্ধি ক্ষতিগ্রস্থের স্ত্রী।
গত রোববার (৩ মে) সমকাল অনলাইনে ‘গোয়ালন্দে অবৈধ ড্রেজিংয়ে বিলীন হচ্ছে ফসলী জমি’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায় ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক তোলপার সৃষ্টি হয়। এরপর সোমবার ও মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসন মরা পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া ক্যানাল থেকে উজানচর কামারডাঙ্গী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিমি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ড্রেজার মেশিন ও অসংখ্য পাইপ ধ্বংস এবং জব্দ করে।
এ দিকে মঙ্গলবার বিকেলে অবৈধ ড্রেজিং চক্রের মধ্যে ৮জনের নাম উল্যেখ করে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক বাকপ্রতিবন্ধী মো. মজিবর মন্ডলের স্ত্রী মোছা. নাছিমা বেগম। আসামীরা হলেন সালাম (৪৫), সুমন (৪০), উম্বার কাজী (৬০), গিয়াস (৪০), কুদ্দুস মাঝি (৬০), সোরাপ (৬৫), সহিদ (৪৫), মো. রবিউল (৩০)সহ অজ্ঞাত আরো ৪-৫ জন।
মামলায় তিনি অভিযোগ করেন দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের রবিউল্লাহ ব্যাপারী পাড়া এলাকায় নদীর তীরবর্তী তাদের অন্তত ৫ বিঘা ফসলী জমি অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এতে আমাদের অন্তত ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমরা এ নিয়ে তাদের বাঁধা দিতে আসলে ড্রেজার মালিক ও তাদের লোকজন আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলাসহ নানা ধরণের ভয়ভীতি দেখায়।
এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, নাছিমা বেগমদের জমি যে ড্রেজারের কারণে নদীতে বিলীন হয়েছে আমরা অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে সেখানকার দুটি ড্রেজার জব্দ করেছি। এছাড়া এজাহার ভুক্ত আসামীদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































