কালুখালীর মৃগীতে বাঙ্গি ক্ষেত ধ্বংসের ঘটনায় ১৮ জনকে চিহ্নিত করে মামলা –
- Update Time : ০৯:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০
- / ৫৭ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
ফাও খেতে নিষেধ করায় দুইটি ক্ষেতের কয়েক লক্ষাধিক টাকার বাঙ্গি কুপিয়ে কেটে ধ্বংস করার ঘটনার তিন দিন পর রবিবার রাতে রাজবাড়ীর কালুখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১৮ জনকে চিহ্নিত করে এবং ২০ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তবে আজ সোমবার বিকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন এ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা।
মামলা আসামিরা হলো, রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের চরকুলটিয়া গ্রামের ইমদাদ, আশিক, বারেক, সোহান মোল্লা, বছির, হিরণ, রাসেল, মনির, মানু, ইমন, সামসু, জাহাঙ্গীর, বাবু, রিসান, তুহিন, রাসেল ও নয়ন।
এ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কালুখালী থানার এসআই মাহবুবুর রহমান জানান, মৃগী ইউনিয়নের পাঁচুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মন্ডলের ছেলে বাবন মন্ডল। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানাগেছে, পাঁচুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মন্ডলের ছেলে বাবন মন্ডল এবং শহর আলীর ছেলে সায়েদ মন্ডল বাড়ীর অদুরে থাকা মাঠে প্রায় ৩ পাখি জমিতে বাঙ্গি আবাদ করে।
বাবন মন্ডল জানান, প্রতিবছরের মত এবারও জামি বড়গা নিয়ে তিনি বাঙ্গির আবাদ করেন। পাশ^বর্তী চরকুলটিয়া গ্রামের একদল দূর্বৃত্ত মাঝে মধ্যেই তার ক্ষেতে এসে জোরপূর্বক বিনামূল্যে বাঙ্গি খেয়ে ও নিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ওই দূর্বৃত্তরা তার ক্ষেতে আসে। তারা ক্ষেতে পাকা বাঙ্গি না পেয়ে মোবাইলে ফোন দেয় এবং পাকা দুইটা বাঙ্গি ও লবন নিয়ে ক্ষেতে আসতে বলে। তিনি ভয়ে তার ছোট ভাই তপন মন্ডলকে সাথে নিয়ে দুইটি বাঙ্গি ও লাবন নিয়ে আসেন। দূর্বৃত্তরা বাঙ্গি খায়। সে সময় তিনি তাদের জোর পূর্বক বাঙ্গি নিয়ে যেতে নিষেধ করেন। এতে তারা ক্ষুব্দ হয় এবং তার ও তার ভাইকে বেধরক মারপিট করে। এর কিছু সময় পর দূর্বৃত্তরা পুনরায় ক্ষেতে আসে এবং তার ও পাশ^বর্তী সায়েদ মন্ডলের ক্ষেতের ধরন্ত কয়েক লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বাঙ্গি গুলো কেটে ধ্বংস করে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে তারা ক্ষেতে এসে এই ঘটনা দেখতে পান।
ফেসবুক থেকে এ ভিডিওটি দেখা না গেলে TV Rajbari লিখে ইউটিউবে সার্চ দিলেও দেখা যাবে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়






































































































