রাজবাড়ী জেলা শহরের রতন ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ
- Update Time : ০৬:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জুলাই ২০২২
- / ৪৩ Time View

রুবেলুর রহমান, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম : রাজবাড়ী শহরের ডাঃ রতন ক্লিনিকে টনসেল অপারেশন করতে গিয়ে ফিরোজ কাজী (৪২) নামে এক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে এ তথ্য জানাযায়।
নিহত ফিরোজ কাজী মিজানপুর ইউপির সূর্য্যনগর এলাকার কালীনগরের মৃত ফিরো কাজীর ছেলে।
জানাযায়, গত কয়েকদিন ধরে টনসেল সমস্যায় ভুগছিলেন ফিরোজ কাজী। শুক্রবার সকালে তিনি শহরের ডক্টরস কেয়ারে নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ হাসান অালীকে দেখান। সে সময় পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ডাঃ রতন ক্লিনিকে অপারেশনের চুক্তি হয়। সে অনুযায়ী বিকালে ফিরোজ কাজী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এবং সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকানো হয়। রাত ১১টা পর্যন্ত অপারেশন থিয়েটার থেকে বের না করা হলে সন্দেহ হয় রোগীর স্বজনদের। পরবর্তীতে তার জোর করে ভেতরে ঢুকে দেখেন ফিরোজ কাজী বেচে নাই। সে সময় উত্তেজিত নিহতের স্বজনরা ক্লিনিকের ম্যানাজারকে মারধোর করে। এবং ঘটনার পর চিকিৎসক, সেবিকা সহ ক্লিনিকের দ্বায়িত্বরত পালিয়ে যায়। পড়ে পুলিশ এসে নিরাপত্তা ইস্যুতে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ করে দেয়। এবং ভর্তিকৃত রোগী অন্য হাসপাতালে স্থানন্তর করেন।
নিহতের ভাই ইউনুছ কাজী, মা হাজেরা বলেন, সুস্থ মানুষ হেটে ক্লিনিকে এসেছে। শুধু গলায় একটা অপারেশন করার কথা ছিল। কিন্তু অপারেশনের নামে হাসান অালী রোগী মেরে ফেলেছে। এখন ওই পরিবারের কি হবে। এরঅাগেও এ ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যু হয়েছে। ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের ফাঁসি দিতে হবে।
মিজানপুর ইউপি চেয়ারম্যান অামিনউদ্দিন অাহম্মেদ টুকু বলেন, খবর পেয়ে তিনি ক্লিনিকে এসে দেখেন অপারেশন থিয়েটারে মরদেহ পড়ে অাছে। কিন্তু চিকিৎসক বা অন্যান্য কেউ নাই। নিহত ব্যাক্তি তার নির্বাচনী এলাকার। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচারের চাই।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ক্লিনিকে চিকিৎসক, সেবিকা, বয় সহ কাউকে না পেয়ে নিরাপত্তা স্বার্থে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। এবং অন্য যারা ভর্তি অাছে তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়






































































































