নির্যাতিত নারী নেত্রী স্মৃতিকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চান নেতাকর্মীরা
- Update Time : ১০:২৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ০ Time View

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম ঃ
রাজবাড়ীর পরিচিত মুখ ও নির্যাতিত নারী নেত্রী রক্তকন্যা সোনিয়া আক্তার স্মৃতিকে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম এবং বিগত সরকারের নির্যাতনের শিকার হওয়া এই নেত্রীর আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।
সোনিয়া আক্তার স্মৃতি রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি। এছাড়া তিনি জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ)-এর সেন্ট্রাল ভাইস চেয়ারম্যান ও আহ্বায়ক সদস্য এবং জিয়া স্মৃতি পাঠাগার পাঠচক্র-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে স্মৃতি ইসলাম তার রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে ২১ জুলাই সকালে নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে সময় কারফিউ চলছিল এবং ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ ছিল বলে তার গ্রেফতারের বিষয়টি ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়নি।
স্মৃতির ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ তাকে বাসা থেকে নিয়ে যায় এবং থানায় নেওয়ার পথে নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে মানসিকভাবে হুমকি দেওয়া হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়। তার বাবা আব্দুল সাত্তার মল্লিক থানায় গিয়ে মেয়ের মুক্তির চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় কারাভোগের পর ৬ আগস্ট তিনি মুক্তি পান। কারাগারে থাকাকালে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের খবর তিনি ভেতর থেকেই শুনেছেন বলে জানান।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের কোনাইল গ্রামের বাসিন্দা সোনিয়া আক্তার স্মৃতি ব্যক্তিগত জীবন, সংসার ও সন্তান প্রতিপালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় রাজনীতি করে আসছেন। দলীয় কর্মসূচি, মিছিল-মিটিং ও অনলাইন প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, আন্দোলন-সংগ্রামে তার ভূমিকা ও নির্যাতনের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা হবে ত্যাগের স্বীকৃতি। তবে এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়





































































































