বালিয়াকান্দিতে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, মামলা-
- Update Time : ০৪:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০১৯
- / ৫৪ Time View

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণ করার অভিযোগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থানায় মামলা হয়েছে। ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের শ্রীরাম বেতেঙ্গা গ্রামের মৃত আফজাল মিয়ার ছেলে ইউনুস মিয়া ওরফে ইল্লোছ মিয়াকে (৫৫) আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। আসামী বিবাহিত এবং ৩ পুত্র সন্তানের জনক।
ওই ছাত্রীর বাবা জানান, গত ২ এপ্রিল বিকাল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে তার মেয়ে (১২) ছাগলের জন্য কাচি ও ডিস নিয়ে ঘাস আনতে যাচ্ছিল। সে সময় বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের শ্রীরাম বেতেঙ্গা গ্রামের ইউনুস মিয়া ওরফে ইল্লোছ মিয়া (৫৫) মেয়েটির কাছে জানতে চায় কোথায় যাস? সে বলে ঘাস কাটতে যাচ্ছি। তখন তাকে বলা হয়, পান বরজের মধ্যে ঘাস আছে এবং সেটা নেওয়া যাবে। তার কথায় পান বাজারের মধ্যে গেলে জোরপূর্বক মেয়েটির জামা-কাপড় ছিড়ে ধর্ষণ করে ওই পাষণ্ড। সেসময় মেয়েটি চিৎকার করলে ইল্লোছ মিয়া তার হাতে থাকা কাচি দিয়ে মেয়েকে ভয় দেখায়। তবে বাড়ীতে যাবার পর তার মা বিষয়টি বুঝতে পারে এবং ঘটনার দুই দিন পর তার ওই মেয়ে ও শিশু দুই ছেলেকে নিয়ে তার স্ত্রী বাবার বাড়ী চলে যায়। সেখানে যাবার পর মেয়েকে চিকিৎসা করায়। এর কয়েক দিন পর স্ত্রী ও ছেলে মেয়েরা বাড়ী ফিরে আসে। তবে বাড়ী ফিরে আসার পর পরই তার স্ত্রী মেয়েকে রেখে দুই ছেলেকে নিয়ে নিখোঁজ হয়। এর পর থেকে তার মেয়েটি শুধুই কান্নাকাটি করতে থাকে। গত সোমবার মেয়ের কান্না দেখে তার চাচিরা কারণ জানতে চায়। তখন মেয়েটি বলে তাকে ইল্লোছ ধর্ষণ করেছে এবং এই কথা জানার কারণেই তার মা দুই ভাইকে নিয়ে হারিয়ে গেছে।
মেয়েটির চাচি বলেন, মেয়েটির কাছ থেকে ওই সব কথা জানার পর তারা হতবাগ হয়ে যান। এর পর মেয়েকে নিয়ে মেয়ের স্কুলে যান এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষককে তারা পুরো ঘটনা খুলে বলেন। প্রধান শিক্ষক তাদের থানায় অভিযোগ করতে বলেছেন। তিনি আরো বলেন, তারা ঘটনাটি জানার পর মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে খানিকটা গোপন রাখার চেষ্টা চালান। তবে এখন পুরো এলাকায় ঘটনাটি ছড়িয়ে গেছে। তারা সমাজে মুখ দেখাতেও পার ছেন না। তারা লম্পট ইল্লুর বিচার দাবী করেন।
জামালপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মেয়েটি কিছুটা হাবাগোবা। অথচ এমন একটি মেয়ে ওই রকম একটা জঘন্য অত্যাচারের স্বীকার হয়েছে। তিনি ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীও জানান।
বালিয়াকান্দি থানার একেএম আজমল হুদা জানান, ওই মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষিতা ছাত্রীকে উদ্ধার করে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই বদিয়ার রহমান আসামী গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়






































































































