সদর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন করোনা জয়ী ৫ রোগি-
- Update Time : ০৬:০১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০
- / ৬৮ Time View
রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :
রাজবাড়ীর সদর হাসাপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের চিকিৎসা শেষে, করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিটিসির) তিন সদস্য সহ পাঁচ ব্যক্তি।
রবিবার দুপুরে রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ীতে যান দীর্ঘদিন সদর হাসাপাতারে আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা নেওয়া এই পাঁচ ব্যক্তি। সুস্থ্য হয়ে বাড়ী যাবার সময় হাসপাতাল গেট থেকে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ী সদর হাসাপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন, ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) পাংশা থেকে করোনায় আক্রান্ত হয় এক যুবক (৩৪)। প্রায় ২৪ দিন রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী যান তিনি। এছাড়া ঢাকা থেকে বাড়ীতে এসে ১৯ এপ্রিল (রবিবার) করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার এক যুবক (১৯)। ২১ দিন হাসপালে থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর আজ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে তাকে।
এছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসির) পাঁচজন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় তাদের মধ্যে তিনজনের রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বর্তমানে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে আরো দুই ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন বলে জানান হাসপাতালের এই তত্ত্বাবধায়ক।
হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাবার পর রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফেরা এসব ব্যক্তিরা। বালিয়াকান্দি উপজেলার ছাড়পত্র পাওয়া যুবক (১৯) বলেন, ‘রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ডা. শামীম আহসান সত্যিকার অর্থেই একজন ভালো ডাক্তার এবং ভালো মানুষ।’
তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকায় কাজ করতাম, বেশ ভেঙ্গে পড়ছিলাম। ডা. শামীম স্যার যেভাবে আমাদের সাহস আর শক্তি যুগিয়ে চিকিৎসা করেছেন সেটা কোনদিন ভোলার নয়।’
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের কর্মরত মেডিসেন বিশেষজ্ঞ ও কার্ডিওলজি বিভাগের ডা. শামীম আহসানের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন বিআইডব্লিউটিসির সদস্য সহ অন্যান্যরা। এ ছাড়া করোনা ইউনিটের ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ ১২ জন নার্সকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সুস্থ্য হওয়া এসব ব্যক্তিরা।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
পাঠক প্রিয়







































































































