মোঃ রাশেদুজ্জামান সেলিম- এর কবিতা

হাসু রেনু
(শেখ হাসিনা) (শেখ রেহেনা)

SALIM KOBETA-PIC

হাসু, রেনু আপা রে, ওহ্ আমার জ্যোৎনা চাঁদ বুনুরে,
হাসু, রেনু আপু রে, ওহ্ আমার সোনা জান বুবু রে,
যখন দোয়া করা হয়, তখন দেখতে পাই রে, ওহ্ আমার জগৎ আলো তারা বোনারে,
কত নামে ডাকিতাম, ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগষ্টে হত্যা না হলে,
শেখ পরিবার এবং আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য,
ছোট আমাকেও যারা রেহাই দেয় নাই,
তারা কি মানুষ ? তারা মানুষ নামের হত্যাকারী হায়না,
হাজার ত্যাগী বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করায় সংশ্লিষ্ট ছিল,
তারা কি মানুষ? তারা মানুষ নামের রাষ্ট্র কলঙ্ককারী,
আহারে, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এত দিনে এদেশ বিমান বানত
আরো কত কি।
এত দিনে শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনা মূল্যে দেওয়া যেত,
হাসু, রেনু আপা রে, ওহ্ আমার জ্যোৎ¯œা চাঁদ বুনুরে,
পরান দিয়ে চেষ্টা কর সম্পূর্ণ শিক্ষা এবং চিকিৎসা বিনা মূল্যে করতে।
তোমার আমলে ডাক্তার এবং সংশ্লিষ্টদের ভাল ব্যবহার পেলে
রোগীর অর্ধেক অসুখ ভাল হয়ে যায়, কড়া তদারকী কর।
যখন দোয়া করা হয়, তখন দেখতে পাইরে, ওহ্ আমার জগত আলো তাঁরা বোনারে,
কিছু কু-বুদ্ধি খোঁজকারী কুলাঙ্গার মানুষ, দেশ এবং মানুষের
উন্নতি ও এগিয়ে যাওয়া দেখলে, খামাখা,
অতীতে এবং বর্তমানে একই কাজ করছে,
তারা, খামাখা, মিথ্যা প্রচার করে, খামাখা, হিংসা, অহংকার, কটুক্তি,
অপমান, অপদস্ত, লাঞ্চনা, গঞ্চনা, অপবাদ, হত্যা কল্পনা, হত্যা,
ক্ষতি বাসনা, বিবাদ সৃষ্টি, খামাখা ছড়িয়ে দেয়,
এদের কর্মকান্ডে শক্ত অবস্থানে থাকবে, সুযোগ দেওয়া যাবে না।
তোমাদের এবং আওয়ামীলীগকে পরাস্থ করতে লেগে আছে।
হাসু, রেনু আপুরে, ওহ্ আমার সোনা জান বুবুরে,
তোমাদের হত্যার ভয় দেখায়, দেখাক,
দেশের জন্য, দশের জন্য শহীদ হয়ে যাবে,
মানুষ নামের অমানুষদের কথায় মাথা নত করবে না,
বঙ্গবন্ধু, শিখিয়েছে দেশের জন্য, দশের জন্য মরতে।
আর আওয়ামীলীগ যারা করে, বঙ্গবন্ধুর মত জানিয়ে দিও
অবস্থান শক্ত, অপরাধে জড়াবে না, হুশিয়ার সাবধান।
ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়া দ্বারা অবগত হলে ছাড় দেওয়া হবে না।
ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়া সম্পূর্ণ স্বাধীন, ইহা ছড়িয়ে আছে সমগ্র দেশে।
হাসু, রেনু আপা রে, ওহ্ আমার জ্যোৎনা চাঁদ বুনুরে,
কত নামে ডাকিতাম, ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগষ্টে হত্যা না হলে,
বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির পিতা, চিরদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন।
ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, কষ্টের আবার কষ্ট কিসের,
আওয়ামী লীগ বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর, হত্যা হলেও
ইহা থাকবে, আছে এবং থাকবে।
বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে যাও, দেশ সেবা করে যাও,
আমরা কাজের লোক, কাজকে মর্যাদা দেই এবং কাজকে ভালবাসি।
কি পেলাম, কি পাব, কি হারাব, নিজের দিকে তাকাই না,
স্বাধীনতার মহা নায়কের মত ত্যাগী হতে প্রস্তুত আছি।
আমরা তাকাই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দিকে, ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ গড়ব।
হাসু, রেনু আপুরে, ওহ্ আমার সোনা জান বুবু রে
বঙ্গবন্ধু ইসলামের খেদমত করার জন্য, সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার জন্য
প্রতিষ্ঠা করেছিলে ইসলামীক ফাউন্ডেশন জেলায় জেলায়।
বঙ্গবন্ধু প্রতিটি ইসলামী রাষ্ট্রের সঙ্গে সু সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন,
এবং প্রতিবেশীরাষ্ট্র সমূহ সহ,
বঙ্গবন্ধুর অন্তরে ইসলাম প্রীতি ছিল বলেই অনেক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা পেয়েছে,
দুঃখ হয় প্রায়ই ধর্ম নিরপেক্ষতার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে,
বঙ্গবন্ধু, আলেম ওলামা এবং পরহেজগারদের এবং মাদ্রাসা ছাত্রদের
সম্মান, শ্রদ্ধা এবং ¯েœহ করতেন।
কিছু মানুষ ইহা কৌশলে গোপন করেন।
তারা কি মানুষ ? মানুষ নামের গিবতকারী এবং জ্ঞান পাপী,
হাসু, রেনু আপুরে, ওহ্ আমার জগৎ আলো তাঁরা বোনারে,
পারলে, আরো চেষ্টা কর গ্রাম, শহরের ছিন্নমূল মানুষের জন্য বসবাস ব্যবস্থা।
বোনারে, এরা কাজ করে মানুষের ভিষন ভিষন উপকার করছে,
মা, মনি পুতুলকে প্রতিবন্ধীদের জন্য বেশি বেশি কাজ করতে বলো,
জনসংখ্যা বেশি এই জন্য ভারত, চীন জ্ঞান চাইলে অর্জিত জ্ঞান দিতে বলো,
ডিজিটাল বাংলার জনক কলিজার টুকরা মামা জয় কে বলো
এদেশে এক সময় ১০০ কোটি মানুষ হবে, প্রজন্মের অসুবিধা সৃষ্টি না হয়
এই জন্য বুদ্ধি করে কাজ করতে বলো।
বুনুরে, বুবুরে, বোনারে পানি বিদ্যুৎ এ খরচ কম
তুমি এদেশের জ্ঞানীদের এ দিকে ঝুকতে বলো এবং জ্ঞান চর্চা করতে বলো,
আর শুরু করে দাও, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং এলাকা ভিত্তিক
তিন একর করে জমি বরাদ্দ, হোক তা দুরে
এতে ছাত্ররা এবং এলাকার ছেলেরা মাদক থেকে বিরত থাকবে,
“খেলাধুলায় মত্ত থাক হেসে খেলে জীবন যাক”
যখন দোয়া করা হয়,
তখন দেখতে পাইরে,
ওহ্ আমার জগত আলো তাঁরা বোনারে,
যে তারিখে জন্মগ্রহন করেছি, ঐ তারিখে (১৮/১০/১৯৬৪) তে যে সমস্ত ছেলেমেয়েরা
এ দেশে জন্ম গ্রহণ করেছ,
এদের সব দাওয়াত কর, যা জোটে তাই খাওয়াবে,
আমার বয়সী বন্ধু বান্ধবীদের বলো,
বঙ্গবন্ধুর বহু ত্যাগের এবং ৩০ লক্ষ শহীদদের, দুই লক্ষ মা-বোনদের সম্ভ্রমহানী
এই বাংলাদেশ কে যেন বুকে আগলে রাখে,
বিপদে মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায় যেন,
তবেই আমি শেখ রাসেল খুশি হব, আনন্দে কাঁদবে বঙ্গবন্ধু এবং শহীদেরা,
বঙ্গবন্ধু কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে বলবে, খুশি হয়ে
হে রাব্বুল আলামিন, হে আল্লাহ
তুমি সবই পার।
যা চেয়েছিলাম আমার বংশধরেরা পেরেছে,
বঙ্গবন্ধু উচ্চ শব্দ করে শুকরিয়া জানাবে,
সোবহানা আল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ্ আকবার
সোবহান আল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ্ আকবার
(লেখক ও কবি)
মোঃ রাশেদুজ্জামান সেলিম
৩ নং বেড়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী

(Visited 43 times, 1 visits today)