চাঁদা দাবীতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক – সোনাপুর বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবী, মারপিট, ঘর দখলের প্রতিবাদে ও প্রতিহত করতে ব্যবসায়ীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা সভা করেছে উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

গত শনিবার বিকালে সোনারপুর বাজারের ব্যবসায়ী আলাল বিশ্বাসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী সাইফুল ইসলামের সহোদর কাজী আতিকুল ইসলাম ও তার সহোযোগীরা জোড় পূর্বক ভেঙ্গে দখল করে। এ ঘটনার  প্রতিবাদে বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীগীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে ব্যবসায়ীদের নিয়ে আইন- শৃঙ্খলা রক্ষায় জরুরী সভার আয়োজন করে বাজার বণিক সমিতি।

সমিতির সভাপতি ও যুবলীগ নেতা আজিজ ইকবালের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী আবুল হাসান আলী পরিচালনায় এ জরুরী সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, নাবাবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ।

সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ সোনাপুর বাজার ব্যবসায়ীদের উপর হামলা, নির্যাতনকারী, চাঁদাদাবীকারী ও দখলদারদের প্রতিহত করতে সব সময় পাশে থাকা ও সকল প্রকার প্রশাসনিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। এসময় চেয়ারম্যানের আশ্বাসে বাজারে ব্যবসায়ীরা তাদের অত্যাচারিত ও নিপীড়িত হওয়ার বিষয়ে বলেন, কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী সাইফুল ইসলামের ভাই মাজবাড়ী গ্রামের লাল মিয়ার পুত্র আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একই এলাকার তুলোন, হামু কসাই, জাহাঙ্গীর, জামাল, সাচ্চু, আমজাদ, শাওন সহ বেশ কয়েকজন হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী শুকুর আলীর নিকট বৃহস্পতিবার ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে । গত শুক্রবার রাতে চাউল ব্যবসায়ী লতিফ বিশ্বাস ঘর ভেঙে ৪৫ হাজার টাকার পিঁয়াজ লুট করে। মুদি ব্যবসায়ী হাবিবের নিকট চাঁদা দাবী করে। গত শুক্রবার সকালে আলাল বিশ্বাসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে দখল করে। রাতে সরকারী জায়গায় থাকা ফুটবল মাঠের পাশে শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে দখল করে ঘর উত্তোলন শুরু করেছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ সোনাপুরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সকল ব্যবসায়ীদের ঘরে লাঠি রেখে কোন ব্যবসায়ীর নিকট চাঁদাদাবী, ডাকাত, সন্ত্রাসী , ভুমিদস্যু আক্রমন করলে সবাই মিলে তাদের প্রতিহত করার আহবান জানান।  এঘটনায় সোনাপুর বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান জানান, শহীদ মিনার ভেঙ্গে ঘর উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে অপরাধীদের সনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

(Visited 55 times, 1 visits today)