দৌলতদিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ছয় মাসেও ঘাতক গ্রেফতার হয়নি

আজু শিকদার :

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনা ছয় মাস পার হয়ে গেলেও কোন ঘাতককে শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে নিহতদের পরিবারসহ এলাকাবাসী ওই মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটা হতাশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর প্রভাবশালী বাড়িওয়ালী সালমী আক্তার ও গোয়ালন্দ পৌর এলাকার স্টিল ফার্নিচার ব্যবসায়ী চাঁনমিয়া ফকির এ বছর ২১ মার্চ সন্ধ্যায় দৌলতদিয়াঘাট যৌনপল্লী এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে মারা যান। এ ঘটনায় নিহত চাঁনমিয়ার ভাই আবু তালেব ফকির বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ছয় মাস পরও ঘাতকদের শনাক্ত করে তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে নিহতের দুই পরিবার যেমন হতাশ হয়ে পড়েছেন অপরদিকে অপরাধীরা শাস্তি না পাওয়ায় ওই এলাকায় অপরাধ প্রবনতা দিন দিন রেড়েই চলেছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. আনিছুজ্জামান মোল্লা বলেন, দৌলতদিয়ায় ধারাবাহিক হত্যার ঘটনা ঘটেই চলেছে। কোন ঘটনারই রহস্য উদ্বঘাটন না হওয়ায় এলাকায় এসব ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতেকরে সাধারন মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি (তদন্ত) এ.কে.এম মিজানুর রহমান বলেন, যে কোন ঘটনার পর দ্রুত সময়ে তদন্তে সাফল্য না আসলে পরবর্তীতে বিষয়টি কিছুটা জটিল হয়ে যায়। এ কারণেই চাঞ্চল্যকর এ জোড়া খুনের প্রকৃত রহস্য উদ্বঘাটন করতে গত ২০ জুলাই মামলাটি থানা থেকে সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
রাজবাড়ী সিআইডি ইন্সপেক্টর মো. নুরুল ইসলাম জানান, দৌলতদিয়ায় জোড়া খুনের মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে প্রকৃত খুনিদের সনাক্ত করতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। কোন আসামী গ্রেফতার না হলেও তদন্তকাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্বঘাটন করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

(Visited 29 times, 1 visits today)