পাংশার হাটবনগ্রাম কমিউনিটি ক্লিনিক খোলে ১১টায়

মাসুদ রেজা শিশির :

50

বর্তমান সরকার জনগনের দোড়গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দেওয়ার লক্ষে উপজেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড প্রর্যায় কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মান করে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ অসহায় মানুষ বাড়ীর পাশে স্বাস্থ্য সেবা পেয়ে বেশ খুশিও। তাবে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্লিনিক গুলোর বিরুদ্ধে রয়েছে বেশ অভিযোগ।
বুধবার উপজেলার কলিমহর ইউপির হাটবনগ্রাম বাজারস্থ্য কমিউনিটি ক্লিনিকে সকাল সাড়ে ১০ টায় দিয়ে দেখাযায়, ওই এলাকার আব্দুল¬াহর স্ত্রী বিউটি বেগম মৃত হাসেন মোল¬ার স্ত্রী রহিমা বেগম, রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বেখা খাতুন সহ প্রায় ১৫/১৮ জন রোগী ও বেশ কয়েকজন শিশু রোগী ভীর করে দাড়িয়ে রয়েছে এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইলে তারা সকলেই বলেন আমরা সকাল সাড়ে ৯ টার থেকে এভাবে দাড়িয়ে রয়েছি এখন পর্যন্তু কেউ হাসপাতালের দরজাই খোলেনি। একাধীক রোগী অভিযোগ করে বলেন এখানে সময়মত ডাক্তার আসেনা ১০টা ১১ টায় আসে আবার ২টার আগেই চলে যায় একাধীক মহিলা রোগী অভিযোগ করে বলেন ডাক্তার সাহেব তার স্বামী নিয়ে হাসপাতালে বসে থাকেন মহিলা রোগীদের বেশ অসুবিধা হয় পাশাপাশি ঔষুধ ঠিকমত পাওয়া যায়না।
ওই ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা জেসমিন আক্তার ১০টা ৫০ মিনিটে আসলেন ওই ক্লিনিকে তার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রতিদিনই ১০টার দিকেই আসি আজ একটু দেরী হয়ে গেছে যে রোগীরা সেবা না পেয়ে চলে গেলেন তাদের কি হবে তিনি বলেন ওরা কাল আবার আসবে। এ ব্যাপারে ক্লিনিক দেখা শোনার কাজে নিয়োজিত সুপার ভাইজার আব্দুস সাত্তারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি বলেন আপনি বললেন পরে আমি খোজ নিব। এভাবেই সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে বলে ওই ক্লিনিক এলাকার সাধারণ মানুষ দাবী করেছেন। বাজারের একাধীক ব্যবসায়ী বলেন ঠিকমত ক্লিনিক খোলা হয়না তবে এখানে রোগীর সংখ্যা প্রচুর। এলাকাবাসির দাবী নিয়মিত ওই ক্লিনিকটি যেন খোলা হয় এবং নিয়মিত সেবা প্রদান করা হয়।

(Visited 27 times, 1 visits today)