সোনাপুর বাজারে প্রকাশ্যে সরকারী জমি বেদখল থামছে না

সোহেল রানা :

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে প্রকাশ্যে দিবালোকে সরকারী জমি বেদখল থামছে না। এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা অবৈধ দখলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সরকারী ফুটবল মাঠ ও খাল দখল করে ঘর উত্তোলন করায় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম খানের সফল প্রচেষ্টার ফলে ফুটবল মাঠের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। সরকারী খালের উপর থাকা স্থাপনা উচ্ছেদে মাইকিং করা হলেও তা থমকে যায়। উচ্ছেদ অভিযান থমকে যাওয়ার ফলে সরকারী জমিতে এক শ্রেনীর ভুমিদস্যুরা পুনরায় পাকা স্থাপনা নির্মানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দখল থেকে বাদ পড়ছে না বাজারের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য তৈরী ডাস্টবিন। সোনাপুর বাজার যেন হরিলুটের কারখানায় পরিনত হয়েছে।
সরেজমিন সোনাপুর বাজারে গিয়ে দেখাযায়, সোনাপুর বাজারে সরকারী জমি একসনা বন্দোবস্ত নিয়ে প্রথমে টিনসেট ঘর উত্তোলন করে ব্যবসা করে আসছিল নবাবপুর ইউনিয়নের বকশিয়াবাড়ী গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে আঃ মান্নান মিয়া। তিনি ইজাররার সত্ব ভঙ্গ করে পাকা স্থাপনা নির্মান কাজ করেছেন। বাজার পয়ঃনিষ্কাশনে জন্য তৈরীকৃত ডাস্টবিন গুলোর উপরও টিনের চাল তৈরী করে দখল করা হয়েছে।
নবাবপুর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা জনাব আলী জানান, মান্নান মিয়ার পাকা স্থাপনা নির্মান করছে জেনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেই। তবে কিভাবে কাজ করছে তার সঠিক জবাব দিতে পারেননি। দখলদারদের বিষয়ে আমি সব তথ্য জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান জানান, অবৈধ দখল ও পাকা স্থাপনা নির্মানের বিষয়টি আমার জানা নেই। খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সোনাপুর বাজার ফুটবল মাঠের অবৈধ দখল করা ২০টি অবৈধ স্থাপনা রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের প্রচেষ্টায় উচ্ছেদ করা হয়। খালের উপর রয়েছে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা। সেটিও ঈদের আগে উচ্ছেদের জন্য মাইকিং করা হলেও হঠাৎ তা থমকে যায়। এখন বাজারের ডাসবিন, সরকারী জমি আবার দখলের মহোৎসব শুরু হয়েছে। বাজার ব্যবসায়ীরা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ সরকারী সম্পত্তি জবর দখল থেকে রক্ষার দাবী জানিয়েছেন।

(Visited 45 times, 1 visits today)