বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রিপন হত্যা, আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী

গণেশ পাল :

গোয়ালন্দের পতিতাপল্লীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রিপন হত্যার ঘটনায় গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে নিহতের আপন মামা মো. খলিল মন্ডল বাদী হয়ে পাঁচজন আসামির নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ৮-১০ জনকে আসামি করে ৩২৬, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। তবে নিহতের পরিবারের সদস্যরা আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ইউনিয়ন এলাকার হোসেন পত্তনদারের ছেলে জামাল পত্তনদার (৩২), মৃত সিদ্দিক শেখের ছেলে মো. ইয়াছিন (৩০), পিতা অজ্ঞাত মো. শহিদ (৩০), মমিন দালারের ছেলে সুমন শেখ (২৭) ও কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকার পিতা অজ্ঞাত মো. হারুন (৩২)।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া বাজার এলাকার মোহন মন্ডলের ছেলে রিপন মন্ডল। তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাউথ-ইস্ট ইউনিভার্সিটির এলএলবির শেষ বর্ষের ছাত্র। গত শনিবার সকালে রিপন মন্ডল ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। ওই দিন রাতে সোয়া ৮টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে এলাকার বন্ধু ফরিদ শেখের সঙ্গে রিপন বাড়ি থেকে বের হন। পরে জামাল পত্তনদারের নেতৃত্বে একদল যুবক প্রলোভন দেখিয়ে রিপন ও ফরিদকে স্থানীয় পতিতাপল্লীর ভিতরে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ওই রাতেই ৩টার দিকে পতিতাপল্লীর কল্পনা বাড়িওয়ালীর গেটের সামনে নিয়ে তারা রিপন মন্ডলের বুক, মাথা ও থুতনিতে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি চালায়। এতে রিপন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সে সময়ে মারাত্মকভাবে আহত হন রিপনের বন্ধু ফরিদ শেখ।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী মো. খলিল মন্ডল বলেন, ন্যায় বিচারের আশায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আমি মামলাটি দায়ের করেছি। আমরা আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল খালেক বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত সকল আসামি পলাতক রয়েছে। তবে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

(Visited 49 times, 1 visits today)