বালিয়াকান্দিতে কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর লাঙ্গল

সোহেল রানা, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

Baliakandi Picturs-02

আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চাষাবাদের উপর মানুষ বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ার কারনে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলাতে এখন আর আগের মতো গরুর লাঙ্গল চোখে পড়ে না। গ্রামে গঞ্জের মাঠে অনেক কৃষক এখনও গরুর লাঙ্গলের উপর নির্ভরশীল রয়েছে। জমি চাষাবাদের আধুনিক যন্ত্র পাওয়ার টিলার, সিডারসহ নানা রকম যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন হয়েছে। সহজেই জমি চাষ করে ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। গরুর লাঙ্গল সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগে। গ্রামাঞ্চলে সাধারন মানুষ গরু পালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। কেউ কেউ বানিজ্যিক ভিত্তিতে গরুর চাষ করছে। গরুর খাবার ও জায়গার অভাবে গরু পালনে অনিহা দেখা দিয়েছে।

আগে দেখা যেত কাক ডাকা ভোরে কৃষক গরু, লাঙ্গল, জোয়াল নিয়ে মাঠে বেরিয়ে পড়তো। এখন আর চোঁখে পড়ে না গরুর লাঙ্গল দিয়ে চাষাবাদ। কৃষকের জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চলে চাষাবাদ।
সোনাপুর গ্রামের কৃষক ছলেমান শেখ জানান, গরুর লাঙ্গল দিয়ে প্রতিদিন ৪৪শতাংশ জমি চাষ করা সম্ভব। আধুনিক যন্ত্রপাতির থেকে গরুর লাঙ্গলের চাষ গভীর হয়। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি ও ফসলের চাষাবাদ করতে সার কীটনাশক সাশ্রয় পায়। তাই কষ্ট হলেও ৪০বছর যাবৎ গরুর লাঙ্গল দ্বারা চাষাবাদ করে আসছি। জমি চাষাবাদ করে ৫জনের সংসার খুব সুখে শান্তিতে চলছে।

(Visited 62 times, 1 visits today)