অপহরণের ৮ ঘন্টা পর বালিয়াকান্দির চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী কুষ্টিয়া থেকে উদ্ধার, ২জন গ্রেপ্তার

সোহেল রানা/নুরে আলম সিদ্দিক :

55tled-1

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে স্কুলের সামনে থেকে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীর এক ছাত্রীকে অপহরন করার ৮ ঘন্টা পর গতকাল রবিবার ভোরে পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহৃত ছাত্রীর নাম সুমাইয়া আক্তার (১০) কে উদ্ধার করেছে। সে জেলা সদরের খানগঞ্জ ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামের কৃষক সেলিম সরদারের মেয়ে এবং জেলা বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রামদিয়া সরকারী প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী।
অপহৃত স্কুল ছাত্রীর মামা মাসুদ মোল্লা জানান, সুমাইয়া আক্তার তার ইসলামপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বাড়ীতে থেকে পড়ালেখা করে। গত শনিবার দুপুরে স্কুলের টিফিনের সময় একটি মাইক্রোবাস এসে স্কুল গেইটে দাঁড়ায়। ভিতর থেকে জনৈক ব্যাক্তি সুমাইয়াকে একটি ঠিকানা হাতে ধড়িয়ে পড়ে দেওয়ার কথা বলে মুখ চেপে ধরে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। বিষয়টি জানিয়ে থানায় একটি সাধারন ডায়রী করা হয়। রাতে আমরা জানতে পারি রেলওয়ে পুলিশ এক শিশুসহ ২ অপহরনকারীকে আটক করে কুষ্টিয়ার কোতয়ালী থানায় সোর্পদ করেছে।
অপহৃত ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার জানায়, স্কুলের সামনে থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নেয় ৩ জন অজ্ঞাত অপহরনকারী। গাড়ীর মধ্যে নিয়ে তাকে জোড়পুর্বক বিস্কুট খাইয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। তাকে পাংশা রেলষ্টেশন থেকে ট্রেনে উঠলে তার জ্ঞান ফিরে আসে। এ সময় সে আর ওই তিন অপহরনকারীকে দেখতে পায় না। তবে তাকে ধরে রাখে ভিকারী বেশে বসে থাকা ২জন বেশি অপহরনকারী। তার সাথে কথা বলার সময় জিআরপি পুলিশের নজরে পড়লে সন্দেহজনক তাকে জিজ্ঞাসাবাদে অপহরনের বিষয়টি খুলে বললে কুষ্টিয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে।
বালিয়াকান্দি থানার মোশারফ হোসেন জানান, কুষ্টিয়া থেকে অপহরনকারী চক্রের ২ সদস্য কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার সিঙ্গগুরে গ্রামের ইয়াদ আলী মোল্লার ছেলে নুর আলী মোল্লা (৬৫), তার স্ত্রী জহুরা বেগম (৫০) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই সাথে অপহৃত শিশু সুমাইয়াকেও উদ্ধার করা হয়। গতকাল রবিবার দুপুরে এ ঘটনায় সুমাইয়ার মামা মাসুদ মোল্লা বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় মামলা দায়ের করেছে।

(Visited 24 times, 1 visits today)