রাজবাড়ীর মার্কেট গুলোতে বেড়েছে ঈদের কেনাকাটা, নেই স্বাস্থ্য বিধির বালাই –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

লকডাউনে করোনা সংক্রমন রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান-পাট ও মার্কেট খোলা রাখার কথা থাকলেও রাজবাড়ীতে তা মানা হচ্ছে না। ঈদকে সামনে রেখে মার্কেট গুলোতে বেড়েছে কেনাকাটা। উপচে পড়া ভীর সর্বত্র। ফলে করোনা সংক্রমনের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা রাজবাড়ীতে আরও সংক্রমনের শঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলা শহরের পাঁচতলা, মুক্তিযোদ্ধা, সোনালী ব্যাংক, মনাক্কা টাওয়ার, কাদেরিয়া ও শাহ সুপার মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীর দেখা যায়।


এ সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার কাউকে দেখা যায়নি স্বাস্থ্যবিধি মানতে। একজন অন্যজন সঙ্গে গাঁ ঘেষাঘেষি করে করছে কেনাকাটা। এবং ক্রেতা-বিক্রেতার অনেকের মুখে দেখা যায়নি মাস্ক। বিশেষ করে শিশু বাচ্চাদের মুখে নাই মাস্ক। এছাড়া মার্কেটে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ নারীদের উপস্থিতি দেখাগেছে। তাদের সঙ্গে ছিলো শিশু বাচ্চাও।
এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ক্রেতাদের ভির বাড়ছে রাজবাড়ীর মার্কেট গুলোতে। কিন্তু সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তেমন কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে ক্রেতাদের উদ্ভুদ্ধ করতে দেখা যায়নি ব্যবসায়ীদের।


লকডাউন চললেও বর্তমান রাজবাড়ীতে সব ধরনর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। আর স্বাভাবিক সময়ের মতই চলাচল করছে জনগন। হাট-বাজার, চায়ের দোকান, রাস্তা-ঘাট, ব্যংক সহ প্রতিটি স্থানেই জনসমাগম। নাই স্বাস্থ্যবিধির বালাই। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে কোথাও কোথাও প্রশাসনের অভিযান চললেও, তা আমলে নিচ্ছে না জনগণ। এখন পর্যন্ত রাজবাড়ীতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এবং মৃতবরণ করেছে ৩৭ জন।
ক্রেতারা বলেন, পরিবারের ছোট ছোট বাচ্চা সহ অন্যান্যদের জন্য কেনাকাটা আবার অনেকে পরিবারের চাপে বাধ্য হয়ে মার্কেটে এসেছেন। কিন্তু মার্কেট গুলোতে অনেক ভির, নাই সামাজিক দুরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি। সবাই মাস্ক পড়লেও গাঁ ঘেষাঘেষি করে চলাচল করছে। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারি নাই। এতে সংক্রমনের সঙ্কা রয়েছে। প্রচন্দ্র গরমের কারণে ছোট বাচ্চাদের মাস্ক না পড়িয়ে রেখেছেন পকেটে।


সচেতন ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, রাজবাড়ীতে সরকারের কোন নির্দেশনা জনগণ মানছে না। মার্কেট গুলোতে প্রচুর ভির। যদিও সরকারের বিভিন্ন পক্ষ থেকে বার বার জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। কিন্তু জনগণ সচেতন হচ্ছে না। এভাবে মানুষের চলাচলে জেলাবাসী আরও হুমকিতে পড়ার সঙ্কা রয়েছে। ফলে সরকারের আরও কঠোর হওয়া সহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে সরকারের সকল দপ্তরের তৎপরতা বৃদ্ধির অনুরোধ জানান তিনি।

(Visited 49 times, 1 visits today)