গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া, দেবগ্রাম ও উজানচরের পদ্মায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব –

ইমরান হোসেন মনিম, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া,দেবগ্রাম ও উজানচর ইউনিয়নের মড়া পদ্মার ফসলী জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রতিবছরই প্রশাসনের চোখের সামনে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে এ বালু উত্তোলন করে থাকে স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু লোকজন। এতে প্রতিবছরই কমছে ফসলী জমি আর বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গনের হুমকিতে পরতে হচ্ছে এই এলাকায় বসবাসরত হাজার হাজার মানুষের। অবৈধ বালূ উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসি।


গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার নুরু মন্ডলপাড়া, ক্যানেলঘাট, দেবগ্রামের তেনাপচা ও উজানচড়ের মড়া পদ্মানদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে স্থানীয় প্রভাবশালীরা দেদারছে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।এতে হুমকিতে পরেছে পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত চড় জেগে ওঠা উর্বরা আবাদী জমি ও কয়েক হাজার বসবাসকারী সাধারন মানুষ। বালূ উত্তোলনের ফলে আবাদী ফসল সহ জমি ও বসত বাড়ির চার পাশ ভেঙ্গে পরছে। ফসল সহ জমি গুলো থেকে ড্রেজার বসিয়ে মাটি উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে এখানকার বালু মাটি। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতি নিচ্ছেন ড্রেজার ব্যবসায়ীরা। একারনে বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গনের আতঙ্ক বিরাজ করছে এখানকার সাধারন মানুষের মধ্যে। বালূ উত্তোলন বন্ধ করতে বলা হলেও তারা এতে কর্ণপাত করেন না। উল্টো ভয়ভিতি দেখানো হয় এলাকাবাসিদের।


এলাকাবাসিরা বলেন , প্রতিবছরই এসব জমি থেকে স্থানীয় প্রভাবশালীরা জোর পূর্বক বালু ও মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করে থাকে। তাদের নিষেধ করা হলেও কথাতো শোনেইনা উপরন্তু ভয়ভিতি দেখানো হয় তাদের। এতে ফসলী জমি নষ্ট হচ্ছে,আগের চাইতে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে চাষিদের। বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙ্গনের ফলে তাদের বসবাস হুমকির মুখে পরবে বলে আশঙ্কা করছেন এই এলাকায় বসবাসরত সাধারন মানুষ। স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে কাদের ফকির ,আবজাল হোসেন ও শহিদ শেখ প্রতিবছরই নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু ও মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে। অবৈধ এসব ড্রেজার দিয়ে বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধের দাবী জানান এলাকাবাসি।


দিলসাদ বেগম-জেলা প্রশাসক রাজবাড়ী ,তিনি বলেন, এর আগে এমন অভিয়োগ তিনি পাননি। দ্রুত উপজেলা প্রশাসনকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্যে নির্দেশ দিবেন। এমন কেউ যদি বালূ উত্তোলনের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

(Visited 85 times, 1 visits today)