নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ কাজ করতে না দেয়ায় পাংশায় প্রকৌশলীকে মারপিট –

রাজবাড়ী বার্তা ডেস্ক :

রাজবাড়ীর পাংশায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ কাজ করতে না দেওয়ায় ঠিকাদারের ছেলে কর্তৃক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলীকে মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই অভিযোগে পাংশা থানায় তিন জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পাংশা পৌর এলাকায় অবসস্থিত সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে। ওই মাদ্রাসার চার তলা ভিত বিশিষ্ঠ এক তলা একাডেমিক ভবন নির্মান কাজ চলছে।


রবিবার বিকালে পাংশা উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলী জানান, ৭৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এক তলা ভবনের নির্মাণ কাজটি করছেন রাজবাড়ীর ঠিকাদার আব্দুর রহিম মোল্লা। তিনি ফরিদপুর’র মের্সাস আনোয়ার হোসেন’র প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। তবে কাজটি দেখভালো করছেন আব্দুর রহিম মোল্লার পালিত পুত্র জাহিদ হাসান। গত ২৭ অক্টোবর বিকালে ওই একডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য নিম্নমানের ইট, বালি, খোয়া নিয়ে আসে জাহিদ হাসান। সেই সাথে সে জোর র্প্বূক ওই নিম্ম মানের সামগ্রী দিয়ে ঢালাই কাজ করার জন্য পায়তারা শুরু করে। তিনি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ কাজ না করার জন্য বললে জাহিদ হাসান তাকে বেধড়ক মারপিট করে এবং তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি ভাংচুর করে। জাফর আলীর চিৎকারে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে জাহিদ হাসান পালিয়ে যায়। তাকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে জাহিদ হাসান, আব্দুর রহিম মোল্লা ও আনোয়ার হোসেনকে আসামি করে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যদিও সে সময় থেকে ওই ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে।


পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদাত হোসেন জানান, ওই মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, বিষয়টি শোনার পর পরই উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলীকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

(Visited 216 times, 1 visits today)