রাজবাড়ী জেলা কমান্ডার কাজী আব্দুল মতিনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার এবং জেলা বিএনপির সাবেক আহব্বায়ক এবং সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল মতিন’এর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।


১৭ অক্টবর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষে আজ ১৬ অক্টোবর মৃত্যু বার্ষিকীর আগের দিন শুক্রবার রাজবাড়ী শিশু সদনে এতিমদের মাঝে খাবার বিতরন, দুপুরে জুম্মা’র নামাজের পর বড়পুল জামে মসজিদ,চরলক্ষীপুর জামে মসজিদ ও মাটি পাড়া জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ শেষে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। হরিতলা মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে পরিবারটি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল মতিন একাধারে ছিলেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার,জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক, সাধারন সম্পাদক,রাজবাড়ী সরকারী কলেজের ভিপি, আমৃত্যু জেলা ট্রাক মালিক সমিতির দ্বায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ১৯৬৯ সালে রাজবাড়ীতে গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী, মুজিব বাহিনীর ৭১ এর সক্রিয় সদস্য,সমাজ উন্নয়নের রুপকার ছিলেন। তিনি রাজবাড়ী জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতিষ্ঠা লগ্ন সময় থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সহ-সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ২৫ মাস ফরিদপুর কেন্দ্রিয় কারাগারে কারা ভোগ করেন।


১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে রাজবাড়ীতে ছাত্র আন্দোলন তার নেতৃত্বেই গড়ে তোলা হয়। জাসদ পরবর্তী বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে জিয়াউর রহমানের হাত ধরে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাজবাড়ী জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নেতৃত্বে জেলা বিএনপির আহব্বায়ক থাকা কালীন সময়ে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তার সফল নেতৃত্বে রাজবাড়ী ১ ও ২ আসনের দুটি আসন বিএনপি প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হয়। কাজী আব্দুল মতিন তার ৭ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বর্তমানে ৬ ভাই ও দুই বোন জিবিত রয়েছেন। তার পরিবারের মধ্যে স্ত্রী এক ছেলে কাজী আরাফাত হাসান জিসান ও এক মেয়ে সুইডেন প্রবাসি তাহসিনা মতিন জিনিয়া’সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি ১৯৫৩ সালের ৩০ মার্চ জন্ম গ্রহন করেন এবং গত বছর ২০১৯ সালের ১৭ অক্টবর বার্ধক্য জনিত কারনে তার মৃত্যু হয়। তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার।

(Visited 209 times, 1 visits today)