পদ্মার পানি বিপদ সীমার ১১৯ সে: মি: উপরে, বানভাসি মানুষ দিশেহারা –

ইমরান হোসেন মনিম, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

গত ২৪ ঘন্টায় পদ্মায় ১ সেঃমিঃ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল সোমবার পদ্মার পানি বিপদ সিমার ১১৮ সেঃমিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আজ মঙ্গলবার ১ সেঃ মিঃ পানি বেড়ে বিপদ সিমার ১১৯ সেঃমিঃ উপরদিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত কালের চাইতে আজ পদ্মায় পানি বেড়েছে ১ সেঃ মিঃ। মঙ্গলবার গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজ ষ্টেশন পয়েন্টে ৯.৮৪ পয়েন্ট অর্থাৎ বিপদ সিমার ১১৯ সেঃমি ঃ উপরদিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।


রাজবাড়ীতে প্রতিদিনই পদ্মার পানি বাড়ছে সেই সাথে নি¤œাঞ্চলে বসবারত মানুষের দুর্ভোগের মাত্রাও বাড়ছে। দু’দফায় বন্যার পানিতে বানভাসিদের নানা ধরনের সমস্যার মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। বাড়ি ঘর,ফসলী জমি সবই এখন বন্যার পানির নিচে। ঘরে নেই পরিবারের মানুষের খাদ্য। এসব মানুষের ঘরে এখন খাবার সহ বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে মারাত্বক ভাবে ,সেই সাথে গবাদি পশুর খাবার না থাকায় তারা আরো বেশি সমস্যায় পরেছেন। ফসলী জমির ধান,পাট ও বিভিন্ন ধরনের সবজি বন্যার পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে । বিশুদ্ধ পানির সংকট,বিষধর সাপের ভয়,শিশু বাচ্চাদের লালন পালন এখন হুমকির মধ্যে পরেছে। ফসলী জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা চরম লোকসানে পরেছেন সেই সাথে গবাদি পশুর কাচা ঘাস ও খর পানিতে নষ্ট হওয়ায় দেখা দিয়েছে খাদ্যেও অভাব। নি¤œাঞ্চলের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ এখন বন্যার পানির সাথে দুর্বিসহ যন্ত্রনার মধ্যে বসবাস করছে।


উজান থেকে আসা পানি ও প্রতিদিন ভারী বৃষ্টির কারনে পদ্মার নি¤œাঞ্চলের প্রায় ১৩টি ইউনিয়নের ৫০ টিরও বেশি এলাকায় বন্যার পানিতে তলিয়ে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ দীর্ঘ্য ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে দুর্ভোগে পরে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পানি বাড়ার কারনে এবং বন্যার পানি স্লুইজগেট দিয়ে প্রবেশ করে বেড়ি বাঁধের বাহিরের ও ভেতরের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগের মাত্রা আরো বেড়েছে পানিবন্দি ও বানভাসি মানুষগুলোর।


গত ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে এমনই দুর্ভোগ ও সমস্যার মধ্যে বসবাস করে যাচ্ছেন এসব বন্যা কবলিত অঞ্চলের মানুষ। দুর্ভোগ এখন বানভাসিদের নিত্য সঙ্গী হয়ে দ্বাড়িয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরেছেন বানভাসি এসব মানুষগুলো। বাড়ি ঘওে থাকতে না পেওে কিছু কিছু মানুষ বেড়ি বাঁধ, স্কুল ঘর সহ উচু স্থানে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।

(Visited 25 times, 1 visits today)