নানা অজুহাতে ঈদ করতে দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে বাড়ী ফিরছে মানুষ –

রুবেলুর রহমান, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

দিন শেষ হয়ে রাত পার করলেই মুুসলমান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে উৎসব পবিত্র ঈদ উল ফিতর।

করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুকি এবং সড়কে গণপরিবহন না থাকার ভোগান্তি আছে জেনেও বিভিন্ন অজুহাতে শেষ মুহুর্তে প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে ঢাকা ছেড়ে দক্ষিণ পশ্চিমঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে বাড়ী ফিরছে হাজার হাজার মানুষ।

রোববার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ওই নৌরুটের রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ একটু কম থাকলেও বাড়ী ফেরার ভোগান্তি ছিল যাত্রীদের মাঝে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে যাত্রী ও ব্যাক্তিগত ছোট গাড়ির চাপ বাড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ সময় সামাজিক দুরত্ব মানতে দেখা যায়নি যাত্রীদের। প্রতিটি ফেরিতে গাদাগাদি করে যাত্রীরা পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়ায় আসছে এবং সড়কে গণপরিবহন না থাকার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় কয়েকগুন বাড়তি ভাড়া দিয়ে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, অটোরিক্সা, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।

ঘরমুখো যাত্রীরা জানায়, সড়কে গণপরিবহন না থাকায় কয়েকগুন বেশি ভাড়া দিয়ে তারা পাটুরিয়া পর্যন্ত এসে ফেরিতে নদী পার হয়ে দৌলতদিয়ায় এসেছেন। কিন্তু দৌলতদিয়াতেও পরিবহন থাকায় বাড়তি ভাড়া দিয়ে বাড়ীতে যাচ্ছেন। এদিকে করোনা সংক্রমনের ঝুকি আছে জেনেও বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজনের সাথে ঈদ করতে বাড়ীতে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বলছেন ঝড়ে ঘর বাড়ী, গাছ পালা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে বাড়ীতে যাচ্ছেন। তবে ঈদের আনন্দ রয়েছে যাত্রীদের মাঝে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা সহকারী ব্যবস্থাপক মোঃ মাহবুব হোসেন জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে আজ ৯টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। পাটুরিয়া প্রান্তে যাত্রীদের চাপ রয়েছে এবং দৌলতদিয়া প্রান্তে কোন যানবাহনের সিরিয়াল নাই। যাত্রীরা স্বাভাবিক ভাবে পারাপার হচ্ছে।

(Visited 37 times, 1 visits today)