খানখানাপুরে পুলিশের ওপর চড়াও দুই সেনা সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধর্মীয় ও সরকারী কাজে বাঁধা দেয়া এবং দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে মারপিট করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সদস্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ী জেলা সদরের খানখানাপুরে এ ঘটনা ঘটে।

খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) এসআই রঞ্জন কুমার বিশ্বাস জানান, সন্ধ্যার দিকে সদরের খানখানাপুর দত্তপাড়া কালিমন্দির এলাকা থেকে সনাতন ধর্মের একটি র‌্যালী বের হয়। কালিবাড়ী মোড় এলাকায় পৌছানোর পর পুলিশ সদস্যরা র‌্যালীটিকে নির্বিঘেœ পৌছানোর ব্যবস্থা শুরু করে। এ সময় তারা বসন্তপুর-দত্তপাড়া সড়কে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। ঠিক ওই সময়ই বসন্তপুর থেকে দত্তপাড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলো একটি মোটর সাইকেল। তবে ওই মোটর চালক ধর্মীয় র‌্যালী ও পুলিশি সিগনাল উপেক্ষা করে চলে যাবার চেষ্টা করে।

এসআই রঞ্জন জানান, তিনি বাধ্য হয়েই মোটরসাইকেলটি আটকের চেষ্টা করেন। তবে ওই মোটর সাইকেল চালক এবং খানখানাপুর ইউনিয়নের চরখানখানাপুর গ্রামের ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে সেনা সদস্য  (সৈনিক) আল আমিন মোল্লা তাকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে।  উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তখন সৈনিক আল আমিনকে মোটর সাইকেলসহ খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। বিষয়টি জেনে আল আমিনের চাচাতো ভাই এবং স্থানীয় ইউসুফ আলী মোল্লার ছেলে ইয়াকুব আলী মোল্লা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আসে। তিনিও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য। ইয়াকুব এসেই তদন্ত কেন্দ্রের দরজা ধাক্কা ধাক্কি এবং অশ্লিল ভাষায় গালাগাল শুরু করে। সেই সাথে তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই জাহিদকে মারপিট করে। সে কারনে তাকে তদন্ত কেন্দ্রে আটক করা হয়।

রাজবাড়ী থানার ওসি আবুল বাশার ঘটনাটি তার জানা আছে উল্লেখ করে বলেন, খবর পেয়ে তিনি খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যান এবং আটক সেনা সদস্য ও পুলিশ অফিসারদের সাথে কথা বলেন। যদিও ঘটনাটিকে তিনি নিছক ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করেন।তিনি আরো জালেন, রাত ১১ টার দিকে ওই দুই সেনা সদস্যের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

(Visited 35 times, 1 visits today)