ভাইস চেয়ারম্যান হত্যা মামলার আসামী সেলিম গ্রেপ্তার

কাজী সেলিম মাবুদ :

1

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান ও জেলা কৃষকলীগের সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি নাদের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গত শনিবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর এলাকা থেকে সেলিম হোসেন (২৮) নামক এক আসামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সেলিম জেলার পাংশা উপজেলার বাহাদুরপর ইউনিয়নের চরআফড়া গ্রামের ওয়াজেদ আলী প্রমানিকের ছেলে।
পাংশা থানার ওসি আব্দুল বাশার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশের সহযোগীতায় পাংশার পুলিশ সদস্যরা আতœগোপনে থাকা সেলিমকে জীবননগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। সেলিম মুন্সি নাদের হোসেন হত্যা মামলার ৫ নং এজাহারভুক্ত আসামী। তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যেই ওই মামলার ৩ ও ১০ নং আসামীসহ সন্দেহজনক অপর এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যান্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাংশা থানার ওসি আবুল বাশার আরো জানান, মুন্সি নাদের হোসেন হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই খালেক মুন্সি বাদী হয়ে গত ২২ নভেম্বর রাতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় হাবাসপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান সেখের ছেলে মঞ্জু সেখকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। একই সাথে ১০ জনকে চিহ্নিত করার ৫/৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মুন্সি নাদেরের গ্রামের বাড়ী পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাঁচারীপাড়া গ্রামে। তিনি প্রতিদিনের ন্যয় কাঁচারীপাড়া বাজার থেকে চা খেয়ে তিনি তার মোটর সাইকেল চালক আবুল কাশেমকে নিয়ে গত ২২ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে পাংশা উপজেলা শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তার মোটর সাইকেলটি ওই বাজার থেকে আধা কিলো মিটার দুরে পৌছতেই একদল দূর্বৃত্ত গতিরোধ করে। দূর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ করে গুলি বর্ষণ করে। তার মুখ, বুক ও পিঠে ৩টি গুলি লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পরেন। সে সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। প্রথমে তাকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পাঠানো হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ হাসপাতালেই চিকিৎসাধিন অবস্থায় ওই দিন রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

(Visited 20 times, 1 visits today)