পূর্ব বিরোধের জের ধরে কালুখালীতে ১৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর

শহিদুল ইসলাম :

23-1

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের স্লুইজগেট বাজারে গত বুধবার গভীর রাতে দূর্বত্তরা হামলা চালিয়েছে। এ সময় ওই বাজারের পাহাড়াদারদের বেঁধে রেখে প্রতিপক্ষের ১৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করার পাশাপাশি ৬ লক্ষাধিক টাকা মালামাল লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই বাজারের পাহাড়াদার জব্বার জানান, রাত আড়াইটার দিকে জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে ৭/৮ জনের একদল দূর্বত্ত আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের বাজারে প্রবেশ করে। এ সময় দূর্বত্তরা তাকেসহ বাজারের অপর ৭ জন পাহাড়াদারকে জিম্মি করে। এক পর্যায়ে তারা বাজারের আদুর কসমেটিক দোকানের তালা ভেঙ্গে ওই দোকানের মধ্যে তাদের ৭ জনকে বেঁধে রাখে এবং অস্ত্রধারী দুই জন তাদের পাহাড়ায় থাকে। সে সময় ওই দূর্বৃত্তরা প্রতিপক্ষের আরো ২০/২২ জন সদস্যকে ডেকে আনে এবং নির্বিচারে বাজারের গোপাল কর্মকারের জুয়েলার্স, বিশ্বজিৎ কর্মকারের জুয়েলার্স, মমজাত সেখের মুদি, আলাউদ্দিনের সার ও কিটনাশক, হান্নানের কাপড়, রহমানের মুদি, নান্নুর কসমেটিক, আলিমের কাপড়, রাতুলের টেলিকম, লুৎফর রহমানের কাপড়, মোনছেরের মুদি, বক্কারের ইলেক্ট্রনিক, আদুর কসমেটিক এবং তার মুদি দোকান ভাংচুর করার পাশাপাশি লুটপাট করে। দূর্বত্তরা সে সময় ওই সব দোকানে থাকা নগদ টাকাসহ ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাট করে পালিয়ে যায়। দূর্বৃক্তরা চলে যাবার পর তারা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে।
কালিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব জানান, হাবাসপুরের চরাঞ্চলে থাকা মজিবর বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি ওয়াদুদ আলম জানান, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে গত ১৭ অক্টোবর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের স্লুইজগেট এলাকা এবং পাশ্ববর্তী পাংশা উপজেলা হাবাসপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সাথে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনার জের ধরে হাবাসপুর এলাকার লোকজন গত বুধবার রাতে এ ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। গতকাল বিকাল পর্যন্ত ওই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানাগেছে।

(Visited 48 times, 1 visits today)