দৌলতদিয়া রেস্টহাউস একাংশে সীমানাপ্রাচীর নেই, নিরাপত্তাঝুঁকি

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

A)- 10.7.14.

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে অবস্থিত রেস্টহাউসের এক পাশে সীমানাপ্রাচীর নেই। এতে নিরাপত্তাঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রেস্টহাউসটি জেলা পরিষদের অধীন। এই পথে আসা-যাওয়ার সময় অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা (ভিআইপি) এখানে বিশ্রাম নেন। এমনকি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে এখানে রাত কাটান। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সীমানাপ্রাচীরের দক্ষিণ পাশের প্রায় ২০০ ফুট খোলা রয়েছে। যদিও শুরুতে রেস্টহাউসের চারদিকে প্রাচীর ছিল। চার বছর আগে প্রাচীরের একাংশের পাশ থেকে মাটি ধসে যাওয়ায় তা ভেঙে যায়। ধীরে ধীরে সেখান দিয়ে স্থানীয় লোকজন আসা-যাওয়া শুরু করেন। বর্তমানে প্রতিদিন ওই সব অঞ্চলের বাসিন্দারা ইচ্ছেমতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ বসতভিটার বালু-মাটি পর্যন্তও আনা-নেওয়া করছেন। এ ছাড়া একই ভবনের নিচতলায় রয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থার কার্যালয়। সেখানেও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দৈনন্দিন কাজ সম্পাদনসহ রাত কাটান।
রেস্টহাউসের তত্ত্বাবধায়ক জয়নাল আবেদীন মোল্লা বলেন, রেস্ট হাউসের ওই স্থান দীর্ঘদিন ধরে খোলা থাকায় আশপাশের গ্রামের লোকজন প্রতিনিয়ত এখান দিয়ে আসা-যাওয়া করে। গরু-ছাগল পর্যন্ত বিচরণ করে। বারণ করলেও কেউ পরোয়া করে না। দ্রুত সীমানাপ্রাচীর দেওয়া না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখানে সব সময় একটা অজানা আতঙ্ক মাথায় নিয়ে কাজ করি। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রায়ই এখানে বিশ্রাম নেন। তাই এভাবে উন্মুক্ত থাকা কতটা নিরাপদ।’
এ ব্যাপারে রেস্টহাউসের তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ‘সীমানাপ্রাচীরের একাংশ না থাকায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে সম্প্রতি জেলা পরিষদের বৈঠকে রেস্টহাউস সংস্কার ও সীমানাপ্রাচীরের জন্য প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই কাজ শুরু হবে।’ (প্রথম আলো)।

(Visited 11 times, 1 visits today)