কালুখালীর স্নেক ফার্মে শুরু হয়েছে ৭ দিন ব্যাপী ‘সাপান খেলা’-

মেহেদী হাসান, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

RAJBARI - (2)-16.07

সাপের বিষ উৎপাদন ও বাজারজাত করার লক্ষে পরীক্ষামূলক সাপের খামার গড়ে তুলেছেন রাজবাড়ীর কয়েকজন বেকার যুবক। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২ টি থেকে শুরু করে এখন তাদের ফার্মে রয়েছে শতাধীক বিষধর সাপ। প্রতিদিন রাজবাড়ী ও এর আশেপাশের জেলাগুলো থেকে দর্শনার্থীরা আসছে পরিদর্শনে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সাপ ও সাপের বিষ রপ্তানী করে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে জানালেন জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের সার ও কীটনাশক বিক্রেতা রবিউল ইসলাম রঞ্জু মল্লিক। ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করতে করতে ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেল দেখে সাপের খামারের কিছু তথ্য পায়।২০১৩ সালের প্রথম দিকে গড়ে তোলে সাপের খামার। বর্তমানে তাদের খামারে বিষধর সাপ কমন ক্রেট, অজগর, রাসেল ভেসপারসহ ১ শর বেশি বিভিন্ন প্রজাতির সাপ রয়েছে।
সাপের খাদ্য হিসেবে মুরগীর বাচ্চা পরিবেশন করতে হয় এর খরচও বেশি তিনি বলেন, সরকার যদি সাপের খামারের পূর্নাঙ্গ স্বাধীনতা দেয় তবে এ শিল্প দেশের অর্থনৈতিক খাতে প্রচুর ভুমিকা রাখতে পারবে।
প্রতিবছর ১৬ ই জুলাই বিশ্ব সর্প দিবস পালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাজবাড়ী ¯েœকস পার্মের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ৭ দিন ব্যাপি বিষধর সাপের সাপান খেলা। এক জন সাপুরে ঢোলের তালে তালে গান গেয়ে বিষধর সাপ খেলা দেখাচ্ছেন আর দুর দুরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা মনোমুগ্ধভাবে উপভোগ করছেন সাপ খেলা।
রাজবাড়ীর ¯েœকস ফার্মে সাপান খেলা দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, সাপ একটি ভয়ঙ্গকর প্রানি সাপের খামারের কথা শুনে অনেক দুর থেকে ছুটে এসেছেন তারা। আর এলাকাবাসী জানান এক সময় সাপের নাম শুনলে ভয় পেতেন তারা এখন আর তারা সাপকে ভয় পান না। এটি তারা পরিবেশ রক্ষাকারী প্রানী মনে করে না মেরে সংরক্ষন করেন। আবার পরিবেশ রক্ষার্থে তারা মাঝে মধ্যে সাপ অবমুক্ত করেন।
জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা গনেশ চন্দ্র মন্ডল জানান, দেশের রপ্তানি যোগ্য পন্যের সাথে সাপ সাপের বিষ ও সাপের চামড়া যুক্ত করা হলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে বেকারত্ব দুর হবে।

(Visited 143 times, 1 visits today)