গোয়ালন্দের ছোটভাকলা ও উজানচর ইউনিয়নে বিজয়ী হলেন যারা –

আজু সিকদার, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

9876itled-1

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে গত শনিবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ও উজানচর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বড় ধরনের কোন সহিংসতা ছাড়াই ভোট গ্রহন করা হয়। এতে ছোটভাকলা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ও উজানচর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রাথী সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ফকীর বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়েছে।
গত রাত ১০ টার দিকে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমান আনুষ্ঠানিক ভাবে এ ফলাফল ঘোষনা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ছোটভাকলা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত আমজাদ হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫৭১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি মনোনীত মোহাম্মদ আলী মিয়া ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৪০৫০ ভোট পান।
উজানচর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রাথী আবুল হোসেন ফকীর আনারস প্রতীক নিয়ে ৬৯১০ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধা নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৭৭৯ ভোট পান। অপর স্বতন্ত্র প্রাথী ঘোড়া মার্কা প্রতীক নিয়ে ১৬৮০ ভোট।
ছোট ভাকলা ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে সাধারন সদস্য পদে আ. রাজ্জাক সরদার ৫৫৮ পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সিরাজ উদ্দিন খান ৩৪৭ ভোট পান। ২নং ওয়ার্ডে আব্দুর রব চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছে। ৩নং ওয়ার্ডে আ. সালাম শেখ ৫৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ওহাব বিশ্বাস ৫৩৯ ভোট পান। ৪নং ওয়ার্ডে ছিদ্দিক শেক ৫৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ. রহমান শেখ ৫৬৩ ভোট পান। ৫নং ওয়ার্ডে চুন্নু মন্ডল ৪৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আক্কাচ আলী ৩৯৯ ভোট পান। ৬ নং ওয়ার্ডে আ. সালাম মোল্লা নিলু ৫৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মীর লিয়াকত আলী ৩৪৬ ভোট পান। ৭নং ওয়ার্ডে বাদল খান ৪২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রতন কুমার বিশ্বাস ৩৯৬ ভোট পান। ৮নং ওয়ার্ডে আলম খান ৬৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মনিম শেখ ৪২৪ ভোট পান। ৯নং ওয়ার্ডে তোরাপ আলী খা ৫৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাহেব আলী শেক ৪৩০ ভোট পান।
উজানচর ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ১নং ওয়ার্ডে নাজমা খাতুন ১৯৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হাছিনা বেগম ১৭৩৩ ভোট পান। ২ নং ওয়ার্ডে সালমা বেগম ১৬০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ফাতেমা ১৪৩৩ ভোট পান। ৩নং ওয়ার্ডে রিনা ২২৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাহিদা বেগম ১৭৪৯ ভোট পান।
সাধারন সদস্য ১নং ওয়ার্ডে ফরিদুল ইসলাম ৮৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি কামাল খা ৬৭২ ভোট পান। ২নং ওয়ার্ডে আবুল হোসেন ৬৬৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আনোয়ার হোসেন ৪৫৫ ভোট পান। ৩নং ওয়ার্ডে জাকির হোসেন ৪৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আনিছুর রহমান মৃধা ৩৯৬ ভোট পান। ৪নং ওয়ার্ডে সেলিম খান ছলিম ১১৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ. রহমান ৫০৫ ভোট পান। ৫নং ওয়ার্ডে বাবলু শেখ ৬১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ইয়াকুব শেখ ৪৬১ ভোট পান। ৬নং ওয়ার্ডে চুন্নু মীরমালত ৮৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাজ্জাদ হোসেন ৪২৮ ভোট পান। ৭নং ওয়ার্ডে নুরুল ইসলাম খবির ৫২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হযরত আলী শেখ ৫১২ ভোট পান। ৮নং ওয়ার্ডে নিখিল চন্দ্র রায় ৬৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাত্তার শেখ ৫৯৫ ভোট পান। ৯নং ওয়ার্ডে কাদির মোল্লা ১১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বাবলু গাজী ৫১৮ ভোট পান।

(Visited 83 times, 1 visits today)