পিক পকেট ইন ঈদুল ফিতর: এড. লিয়াকত আলী বাবু –


জৈষ্ট আষাঢ় মাসে ঈদ হলে পকেট মারদের একটা আলাদা সুবিধা হয়। ঝড় বৃষ্টি হলে মানুষ একটু গাদাগাদি করে দাঁড়ায়। গাদাগাদি ঠাসাঠসি’র মধ্যে কাজে রিক্স কম। আর ঈদুল আজাহার জন্য হলো গরুর হাট। ঈদের হটে যত হয় ঠাসাঠাসি ততই হয় অর্থরাশি। তবে এদেশের মানুষের নাকি এখন আর ঈমান নাই। এমন একটা কথা এদেশের একজন দক্ষ পকেট মারের মুখ থেকে শোনা। কথাটা অবশ্যই বড় কষ্টের এবং বড় আক্ষেপের কথাই বটে। আক্ষেপের কথাটা না হয় পরেই বলি। আগে মুখবন্ধটা দিয়ে নেই।

বেশ কিছুদিন আগে এক পকেট মারের সাথে খোলামেলা কথা হচ্ছিল। সে একজন পেশাদার পকেট মার। বলা চলে সেও এদেশের একজন পেশাজীবী শ্রেনীর লোক। পেশা বলে কথা। পকেট মারা একটা অসম্ভব রকমের হাত সাফাই মার্কা শিল্পকর্ম। সমগ্র পৃথিবীতে এ পেশায় হাজার হাজার লোক নিয়োগ আছে। আছে প্রশিক্ষন দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষনশালা। পেশায় দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কর্মশালারও ব্যাবস্থা থাকে। একজন ইচ্ছা করলেই কেউ পকেট মার হতে পারে না। পকেটমার হতে হলে চাই কঠোর তপস্বা এবং যুগ যুগান্তরের আরাধ্য সাধনা। যাকে বলে নিরন্তর অধ্যবসয় মার্কা বৈরাগ্য সাধনা। তবে পকেট মারা পেশাটা আইন সিদ্ধ কিংবা বেআইনী কিনা সেটা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তিতর্ক থাকতে পারে। বাংলাদেশের দন্ডবিধি নামক আইনের বইটি প্রস্তুত হয়েছে ১৮৬০ সালে। কিন্তু দন্ডবিধি নামক সেই আইনের বইতে পকেট মারের কোন সংগা এবং শাস্তির কথা খুঁজে পাওয়া যায় নাই। হয়তো তখন পকেটমার ছিল না অথবা আইনবিদরা পকেটমারদেরকে হয়তো আইনের দন্ড থেকে রেয়াত দিয়ে রেখেছেন। না’হলে পকেটমারদের জন্য সরাসরি কোন আইন থাকবে না কেন ? অনেক আইনবিদরা হয়তো বলতে পারেন যে পকেটমারদেরকে দন্ডবিধি আইনের ৩৭৯ ধারায় বিচার করা যেতে পারে।

পারা যায়তো অনেক কিছুই কিন্তু তাই বলে চোর আর পকেটমার অবশ্যই এক কথা না। চোর আর পকেট মার যে এক সংজ্ঞার সাবজেক্ট না তার একটা উদাহরন মনে পরে গেল। অনেক দিন আগের কথা। এক ছুটির দিনে দুপুর বেলা আহার সেরে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী “শুয়ারের বাচ্চা দুধ খেয়ে ফেললে¬ারে” বলে এক দৌড়ে বড় ঘর থেকে রান্না ঘরের দিকে ছুটে গেল। আমিও এক লাফে উঠে বসলাম। তখনো গভীর ঘুমের কষে আমার চোখের পাতা আটকানো। কিন্তু শুয়ারের বাচ্চা ঘরের মধ্যে ঢুকে পরেছে এাঁ কি চাট্টিখানী কথা ? আমিও আমার স্ত্রীর পেছন পেছন ছুটে গেলাম রান্না ঘরে। কোন পথ দিয়ে শুয়ারের বাচ্চা রান্না ঘরের মধ্যে ঢুকে পরলো ? এদিকেতো কখনো আমার চোখে শুয়ার টুয়ার চোখে পরে নাই। শুয়ারের বাচ্চা এলো কি ভাবে ? আামর স্ত্রী চোখ বড় বড় করে বললে¬া, আরে শুয়ারের বাচ্চা হবে কেন ? বিড়ালের বাচ্চা দুধ খেয়ে ফেলেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম- তুমি না বলে¬ শুয়ারের বাচ্চা দুধ খেয়ে ফেলেছে ? আমার স্ত্রী বিরক্তি মাখা মুখে বললে¬া আরে ঐ একই কথা। ঐ একই কথা হবে কেন ? শুয়ার আর বিড়াল দ’ুটি আলাদা প্রজাতির প্রাণী। এদের আলাদা আলাদা নাম এবং আলাদা আলাদা স্বভাব। কখনোই এক কথা হওয়ার কথা নয়। তারপরেও চেপে গেলাম। কারন বুদ্ধিমানদের পরামর্শ হলো স্ত্রীর সাথে কখনো এক মিনিটের বেশী কথা কাটাকাটি করতে হয় না। এক মিনিট পার হলেই প্রেষ্টিজ পাঞ্চার হওয়া সহ পরাজয় সুনিশ্চিত। নিশ্চিত পরাজয়ের চাইতে পরাজয়ের সম্ভাবনা অনেক ভাল ভেবে একেবারেই চেপে গেলাম। আবার আসল কথাায় ফিরে যাই। একবার আমার এক শিক্ষকের পাঞ্জাবীর ভীতরের পকেট থেকে এক হাজার পাঁচশত টাকা পকেট মার হয়ে গেল।

স্যারের পাঞ্জাবীর উপর একটা টাইট সোয়েটার পরা ছিল। ভীষন তাজ্জব বনা কথা। এটা কি ভাবে সম্ভব ? স্যারের মুখে টাকা খোয়া যাওয়ার আক্ষেপের চাইতেও পকেট মারের দক্ষতার বিষয়টি বারবার উঠে আসছিল। স্যার বারবার বলছিলেন “হাউ এক্সপার্ট হি অর সি ইজ”। কারন স্যারতো দেখেন নাই যে ‘হি’ না ‘সি’ তার পকেট মেরেছে। স্যারের জানা মতে পুরুষ মহিলা উভয় ধরনের পকেট মারের অস্তিত্বই পৃথিবীতে আছে। পকেট মারের দক্ষতার বিষয়ে অনেক পুরোনো একটা মজার গল্প আছে। তখন সবে মাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশের একজন বিশেষজ্ঞ পকেটমার ঈদের দু’সপ্তাহ আগে কলকাতায় গিয়েছেন পকেট মারার উপর উচ্চতর প্রশিক্ষন নিতে। শিয়ালদাহ এবং হাওরা রেলষ্টেশন তখন পকেটমারদের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। কলকাতার যে ওস্তাদের কাছে বাংলাদেশী পকেটমার উচ্চতর প্রশিক্ষন নিচ্ছিলেন সেই ওস্তাদের কাছে বাংলাদেশী পকেটমার জিজ্ঞাসা করলো- গুরু পকেট মারের সর্বোচ্চ ওস্তাদী কেমন একটু শিখিয়ে দিবেন ? ভারতীয় পকেটমার কলার ঝাঁকি দিয়ে বললো- যে ওস্তাদ ঘুঘু’র বাসা থেকে ঘুঘু’র ডিমে তা’ দেওয়া অবস্থায় নিচ দিয়ে গিয়ে ডিম নিয়ে আসবে কিন্তু ঘুঘু উড়ে যাবে না, সেটাই হলো একজন পকেট মারের সর্বোচ্চ ওস্তাদী। কি বলেন ওস্তাদ ? এতো দেখছি মহা গুরুর প্রশিক্ষন !! এটাও কি সম্ভব গুরুজী ? ওস্তাদ বাম হাত দিয়ে নিজের মোঁছ প্যাচাতে প্যাচাতে বললেন- সম্ভব শিষ্য আমার কাছে সবই সম্ভব। শিষ্য বললেন,ওস্তাদ ঘুঘু’র ডিম তা’ দেওয়া অবস্থায় নিচ দিয়ে ডিম নিয়ে আসার মত একটা ঘটনাটা যে আমাকে একবার দেখাতেই হবে এবং সেটা শিখেয়েও দিতে হবে। ওস্তাদ বললেন তথাস্তু শিষ্য। সময় মত সবই দেখানো হবে বাছাধন সবকিছুই দেখানো হবে। উচ্চতর প্রশিক্ষন দিয়ে দিবো বাছাধন। একটু অপেক্ষা কর। বাংলাদেশী শিষ্য বললো- গুরুজী সামনেই ঈদুল ফিতর।

ঈদুল ফিতরের একটু আগেই শিখিয়ে দিতে হবে কিন্তু। এবার এই ঈদের মাঝেই বাংলাদেশে গিয়ে মহাওস্তাদী দেখিয়ে দেবো। এরই মাঝে ওস্তাদের ওস্তাদী দেখানোর একটা দারুন সুযোগ হাতের কাছে এসে গেল। হাওরা থেকে কিছু দুরের পথ শিবপুর। বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে জগদীশ চন্দ্র বোটানিক্যাল গার্ডেন। ঐখানে আছে পৃথবীখ্যাত ”দি লারজেষ্ট বেনিয়ন ট্রি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড”। সেই বট গাছের জট নেমে দের হেক্টরের বেশী জায়গা জুড়ে অবস্থান নিয়েছে। জট বেয়েই গাছে উঠা যায়। ঐ বটগাছের আগডালে একটা ঘুঘু’র বাসার সন্ধান পাওয়া গেছে। ঘুঘু বাসা বেঁধেছে ডিম পারার জন্য। ঘুঘুর ডিমপারা শেষ। এখন ডিমে তা’ দেওয়ার পালা। ঘুঘু বসে ডিমে তা’ দিচ্ছিল। সেদিন ছিল রবিবার। ছুটির দিন। ঘুঘু বসে আছে বটগাছের আগডালে। ওটা তার নিজের বাসা। ডিমে তা’ দেওয়ার জন্য বসে আছে। ওস্তাদ প্রথমে বটের শিকরে তিনবার প্রনাম করে নিলেন। সকল কাজেরই একটা আরাধনা আছে। আছে প্রেম ভক্তি। মনে মনে ওস্তাদ ভগবানেরও নাম তপজপ করে নিলেন। ভালো-মন্দ যাই করা হোক না কেন ধর্মের দোহাই লাগেই। এরপর ওস্তাদ বুকে ফুৃঁ নিয়ে বটগাছের চিকন জট বেয়ে সাপের মত নিঃশব্দে উপরে উঠে যাচ্ছে। ওস্তাদ তার পড়নের লুঙ্গি হাফ ভাঁজ করে কোঁচর বানিয়ে ুুনিয়েছে। ঐ কোঁচরের মধ্যে ভরে ঘুঘুর ডিম নিয়ে আসবে। সাবধান !! খুব সাবধান !! সামান্য দোলা লাগলেই উড়ে যাবে ঘুঘু। সাথে সাথে উড়ে যাবে ওস্তাদের ওস্তাদিও। এটা ওস্তাদের জন্য আজ একটা হাই চ্যালেঞ্জ। ঘুঘু বসে আছে ঝিঁম ধরে। ডিমে তা’ দিচ্ছে। হাল্কা বাতাসে গাছের আগডাল গুলো দোল খাচ্ছে। ঘুঘু জানে ওটা বাতাসের দোল। বাতাসের ঐ দোলের সাথে তাল মিলিয়ে ওস্তাদ উঠে যাচ্ছে ঐ আগডালে। ওস্তাদ এখন ঠিক ঘুঘুর বাসার নিচে খুব কাছে অবস্থান করছে।

একদম তারা হুরো করা যাবে না। পিন পতন নিস্তব্দতায় কাজ করতে হবে। যেন গাছে কোন মানুষই উঠে নাই। ওস্তাদ অবশেষে ঘুঘুর বাসার নিচ দিয়ে ওস্তাদী আঙ্গুল চালিয়ে দিলো। এরপর অতি সন্তর্পনে বাতাসের চেয়ে নিম্নগতির হাত সাফাইয়ের মাধ্যমে ওস্তাদ ঘুঘুর তা’ দেওয়া ডিম বের করে ফেলতে সক্ষম হলো। ঘুঘুর ডিম যখন ওস্তাাদের লুঙ্গির কেঁচরে তখনো ঘুঘু ঝিম ধরে বাসায় বসে ডিমে ‘তা’ দিচ্ছে। অথচ তার পেটের নিচের ডিম মার হয়ে গেছে। ওস্তাদের গাছ থেকে নামতেও অনেক সময় লেগে গেল। কারন মাটিতে নেমে না আসা পর্যন্তু ঘুঘু উড়ে গেলে ‘পকেটমারা’ স্যরি ‘ডিমমারা’ ডিস্কোয়ালিফাইড হয়ে যাবে। অবশেষে ভারতীয় উস্তাাদ সাকসেস্ফুল!! ঘুঘু তখনও বাসায় বসে আছে ঝিম ধরে। কিন্তু ঘুঘুটির ডিম এখন ওস্তাদের লুঙ্গির কোঁচরে। ওস্তাদ একটা বিজয়ের হাসি দিয়ে আস্তে আস্তে তার লুঙ্গির কোঁচর খুলতে লাগলেন। ওস্তাদ তার লুঙ্গির কোঁচর খুলে কোঁচরের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিয়েতো হতবাক!! কি ব্যাপার ?? ডিম গেল কোথায় ?? এদিকে লুঙ্গির কোঁচরে বড় একটা ছিদ্র। লুঙ্গি ছিদ্র হলো কি ভাবে ? ভীষণ তাজ্জব বনা কথাতো। ওস্তাাদ তার নিজের হাতে লুঙ্গির কোঁচরে ডিম রেখেছিলেন। ওস্তাদেরতো আক্কেল গুরুম অবস্থা!! ওস্তাাদ এদিক ওদিক তাকাতে লাগলেন। বাংলাদেশী পকেটমার বললেন,ওস্তাাদ এদিক ওদিক তাকিয়ে কোন লাভ নাই। আপনার কোঁচরের ডিম এখন আমার পকেটে। আপনি যখন ঘুঘুর ডিম আনার জন্য গাছে উঠেছিলেন ঐ সময় আমিও আপনার পেছন পেছন চুপিসারে গাছে উঠেছিলাম। আপনি ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারেন নাই। আপনি যখন ডিম নিয়ে লুঙ্গির কোঁচরে রাখলেন ঐ সময় আমিও হাত সাফাইয়ের মাধ্যমে আপনার লুঙ্গির কোঁচর কেটে ঘুঘুর ডিম বের করে নিয়ে আমার পকেটে রাখলাম। বাংলাদেশী পকেটমারের কথা শুনে ওস্তাদের মুখে আর কোন কথা নাই। ওস্তাাদ এক লাফে বাংলামেশী পকেটমারের পা’দুটি জড়িয়ে ধরে বলে উঠলেন ওস্তাদ বুঝতে পারি নাই যে আপনে কত বড় ওস্তাদ। আমাকে ক্ষমা করে দিন গুরু আমাকে ক্ষমা করে দিন। অবশেষে বাংলাদেশী পকেটমার নিজের ওস্তাাদী দেখিয়ে ভারতীয় ওস্তাাদকে বাংলাদেশে এসে প্রশিক্ষন নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার একটু থমকে গেলেন। ভাবলেন দেশের পকেট না কেটে এবার ঈদুল ফিতরে বিদেশে কাজ করে যাই।

অন্তত দেশের টাকা বাঁচুক। কাজও তাই করেছিলেন। পিক পকেটিং ইন ঈদুল ফিতর। এর বহু কাল পর সেই ভারতীয় ওস্তাদ পকেটমারের সাথে একবার বাংলাদেশী সেই পকেট মারের দেখা। ভারতীয় পকেট মারের এখন অনেক বয়স হয়েছে। চুল পেকে একেবারে ধবধবে সাদা। বাংলাদেশী পকেটমার জিজ্ঞাসা করলো- দাদা অপনার ব্যবসা-ট্যাপসা কেমন চলছে ? ওস্তাদ হাতের তালুতে থাকা খৈইনী টুকু ঠোঁটের ফাঁকে দিয়ে অতি আক্ষেপের সাথে বললেন না ভাই এ পেশায় আর থাকবো না। বাংলাদেশী পকেটমার অবাক বিস্ময়ে জিজ্ঞাসা করলো,কেন গো দাদা এ পেশায় আবার সমস্যা হচ্ছে কোথায় ? স্বাধীন পেশা বলে কথা। যখন তখন নিজের পকেট মনে করে অন্যের পকেটে হাত ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। ওস্তাদ আরও আক্ষেপের সুরে বললেন আমি দীর্ঘদিন তোমাদের দেশেই কাজ করছিলাম। কিন্তু তোমাদের দেশের প্রায় সকল মানুষেরই এখন ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারনেই এ পেশায় আর থাকতে চাই না। বাংলাদেশী জিজ্ঞাসা করলো, কেন মানুষের আবার ঈমানের কি হল গো ? আরে ভাই পকেট মারি দুই হাজার টাকা আর শালারা থানায় গিয়ে মামলা করে পকেটমার হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। বোঝোইতো আমাদেরতো একটা খরচা পাতি আছে। যায়গায় যায়গায় বখরা দিতে হয়। তুমিই বলোতো ২৫ হাজার টাকার হিস্যা মতে ২/৩ বখরা দিলে আমাদের কি অবস্থা হয়। মানুষের যদি কখনো ঈমান আমান ফিরে আসে তখন আবার এই পেশায় ফিরে আসা যাবে। আপতঃত এ পেশায় আর থাকছি না বাছাধন !! এই কথা বলে ওস্তাাদ একটা সিগারেট ধরিয়ে নিয়ে পথের দিকে পা বাড়ালেন।

বাংলাদেশী পকেট মার মনে মনে বলে-বাংলাদেশের মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে বহুবছর আগে। শালার ওস্তাদ এখন ঠিক পাচ্ছে। আর সে কারনেই বাংলাদেশী পকেটমার এখন পকেট মারা বাদ দিয়ে ক্যাসিনোর কোর্টে কপাল ঘষে বেড়ায়।

লেখক- এড. লিয়াকত আলী বাবু , রাজবাড়ী জেলা বার এ্যাসোসিয়েশন।

(Visited 60 times, 1 visits today)