দৌলতদিয়া ঘাটের অব্যবস্থাপনা দূর করা হয়েছে, যৌনকর্মীরাও স্বাধীন –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম : 

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম, পিপিএম বলেছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার ৩ কোটির মানুষের প্রধান দূর্ভোগের স্থান ছিলো রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরী ঘাট। তবে এখন সে অবস্থা নেই। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপারের যুগান্তকারী উদ্যোগের কারণে দৌলতদিয়া ঘাটের অবস্থাপনা দূর করা হয়েছে। পুরিস্থিতি এখন পুলিশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। পুরো ঘাট এলাকা সিসি টিভির আওতায় আনা হয়েছে। কোন গাড়ীতে বিশেষ ভাবে সুবিধা দেয়ায় অপচেষ্টা করলেই তা রোধ করা যাবে। এছাড়া ঘাট এলাকার বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর সকল প্রকার চাঁদাবাজী বন্ধ করা হয়েছে। তা আর কখনোই ফিরে আসবে না। স্থানীয় জনসাধারণ ও রাজনৈতিক নেতারা পুলিশকে সহযোগিতা করবে। আর তারা তা না করলে পুলিশ আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যয়ী এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি আরো বলেন, যৌনকর্মীরা এখন স্বাধীন। তাদের সে অবস্থা অবশ্যই টিকে থাকবে। মানবিক দিক দিয়ে সেখানে যা কিছু করার তা করা হবে। বিশেষ করে যৌকর্মীদের কবর দেয়ার ব্যবস্থা ছিলো না। এখন কবরস্থান হয়েছে এবং তা প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দেয়ারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেখানে জন্ম গ্রহণকরা শিশুদের নিরাপত্তা এবং সামাজিকভাবে বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে পুলিশি সহযোগিতা থাকবে। যৌনকর্মীরা যে সকল ঘরে ভাড়া থাকে সে সব ঘরের ভাড়ি কয়েক গুন বেশি। সে বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।
তিনি গতকাল বুধবার বিকালে রাজবাড়ীর পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশের পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ সব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান পিপিএম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল জব্বার, পৌর মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী, সাবেক এমপি কামরুন্নাহার চৌধুরী, আবুল হোসেন, কানিজ ফাতেমা চৈতি প্রমুখ।
এর আগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান রাজবাড়ী জেলা শহরে ৭২টি ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে আরো ৮টি সিসি ক্যামেরার উদ্বোধন করেন।

(Visited 214 times, 1 visits today)