২ মাস পর রাজবাড়ীর ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার গুলোর বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রাজবাড়ী জেলা শহরসহ পাংশা, বালিয়াকান্দি, গোয়ালন্দ ও কালুখালী উপজেলা শহর গুলোতে যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠেছে ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার। তবে এ সব ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার গুলোর নেই কোন লাইসেন্স। চলছে সে গুলো নিজ ইচ্ছা মত। এমতাবস্থায় রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আজ বুধবার দুপুরে “জেলার ক্লিনিক মালিকদের সাথে মতবিনিময় সভা”। ওই সভায় আগত ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার মালিকদের লাইসেন্সসহ আনুশাঙ্গিক কাগজপত্র আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রস্তুত করার আহবান জানানো হয়েছে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় ওই সভা। সভায় সিভিল সার্জন
ডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান , বিএমএ রাজবাড়ী শাখার সাধারণ সম্পাদক এ,এফ,এম শফীউদ্দিন পাতা সহ বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টারের মালিকরা বক্তৃতা করেন। সভায় জানানো হয়, অনলাইনে রেজিষ্টেশন করেছে জেলার ৫৩টি ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার এবং কাগজপত্র প্রস্তুত করে আবেদন করেছে মাত্র ১৫টি প্রতিষ্ঠান। তবে এখনো কাউকে লাইসেন্স দেয়া হয়নি।
সভায় বিএমএ রাজবাড়ী শাখার সাধারণ সম্পাদক এ,এফ,এম শফীউদ্দিন পাতা বলেন, জেলার বেশিরভাগ ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার গুলোতে স্থায়ী কোন চিকিৎসক নেই। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষার রিপোর্টে চিকিৎসকদের স্বাক্ষর করার কথা থাকলেও তাতে স্বাক্ষর করেন কথিত টেকনিশিয়ানরা। যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহিঃভুত। চিকিৎসক ছাড়া ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টার পরিচালনা না করার অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন, রক্তসহ অন্যান্য পরীক্ষা গুলো যদি কোন চিকিৎসক করেন, তাহলে তা নিভূল হবে। আর কথিত টেকনিশিয়ানরা পরীক্ষা করলে তা হয় উল্টো। চিকিৎসক যদি পরীক্ষার নির্ভুল চিত্র রিপোর্টে না পান তাহলে তিনি রোগির সঠিক চিকিৎসা করবে কিভাবে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টারের মালিকদের যথাযথ কাগজপত্র সহ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। সেই সাথে নিতে হবে লাইসেন্স। সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে নিয়ম মেনে ক্লিনিক ও ডাইগোনেস্টিক সেন্টারের মালিকদের লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(Visited 323 times, 1 visits today)