বরাট ইউপি আ:লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত –

রুবেলুর, ইমরান, আতিয়ার, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে এবং ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে সভাপতি। বুধবার বিকালে ইউনিয়নের উড়াকান্দা এমএ করিম ফুটবল মাঠ প্রাঙ্গনে এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
কাউন্সিলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আগামী তিন বছরের জন্য সাধারন সম্পাদক হিসেবে মোঃ ফরিদ উদ্দিন শেখ নির্বাচিত হয়েছেন এবং আগামী শনিবার জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হবে। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন আশরাফ আলী সরদার ও শহিদ মোল্লা ।
কাউন্সিল অধিবেশনের প্রথম পর্বের আলোচনা সভায় বরাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আরশাদ আলী সরদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিয়া, যুগ্ম-সম্পাদকে ্যাডঃ রফিকুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে ্যাডঃ সফিকুল হোসেন, সদস্য আব্দুস সালাম মন্ডল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ রমজান আলী খান, সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ ওহিদুজ্জামান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সফি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ রাজীব, জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আবু বক্কর খান প্রমূখ। সভা শেষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল পদ বিল্লুপ্ত এবং নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয় ।
অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ রমজান আলী খান।
এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আশরাফ আলী সরদার, শহিদ মোল্লা ও আব্দুল গফ্ফার এবং সাধারন সম্পাদক পদে ফরিদ উদ্দিন শেখ, আব্দুল জলিল সরদার ও কামরুল ইসলাম মোল্লা প্রতিদ্বন্দী করেন।
পরবর্তীতে সভাপতি প্রার্থীদের মধ্যে সমন্ময় না হওয়ায় ভোটের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। তবে সাধারন সম্পাদকের পদ চাওয়াকারীদের সমন্ময় হওয়ায় একক ভাবে সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ ফরিদ উদ্দিন শেখ নাম ঘোষনা করেন প্রধান অতিথি কাজী ইরাদত আলী।
কাউন্সিল সভায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এরশাদ, সদর ছাত্রলীগের সভাপতি সামছুল ছালেহীন অপুসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি কাজী ইরাদত আলী বলেন, আমাদের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য জেল খেটেছেন জাতিরজনক। আর এখন আমরা তার সুবিধা ভোগ করছি। মহান ওই নেতার জন্য আজ একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি এবং বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। অথচ স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি দেশে অনেক চক্রান্ত করেছে এবং এখনও করছে। এ পর্যন্ত ১৯ বার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে তিনি বেঁচে আছেন। বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থেকে জ্বালাও পুড়াও, হত্যা, গুম, সন্ত্রাস, ছিনতাই, ডাকাতির কর্মকান্ডের মহাযগ্য চালিয়েছেন। আর জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তাদের এমপি কাজী কেরামত আলীর মাধ্যমে রাজবাড়ীকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ চুড়ায় পৌছে দিয়েছেন। সকল ক্ষেত্রে এ জেলার সকল সেক্টরে উন্নয়ন হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার জনগনের সরকার, জনগনের জন্য কাজ করে। খালেদা জিয়া হিংস্য মহিলা, যার নির্দেশে ২১ আগষ্ট হামলা করা হয়েছিল। আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশের প্রধানমন্ত্রী আর খালেদা জিয়ার দূর্ণীতির মামলায় জেলে। তারা এদেশকে আফগানস্থান ও পাকিস্থানের মত জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নের্তৃত্বে তা পারেনি। দলকে সু-সংগঠিত ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে কাউন্সিলে অনুরোধ করেন তিনি।

(Visited 106 times, 1 visits today)