কালুখালীতে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের অভিযোগ –

রুবেলুর,ইমরান, আতিয়ার, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রাজবাড়ী কালুখালী উপজেলার পদ্মা নদীর কোল হতে চলতি বছরের পহেলা বৈশাখে সদর উপজেলার জৌকুড়া পর্যন্ত বদ্ধ সরকারী জল মাহাল উন্নয়ন প্রকল্পের ইজারা প্রদান করা হয় ।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ ও চন্দনী ইউনিয়ন মৎস্য জীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের প্রস্তাবনায় জলমহাল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের শর্তে ৬ বছরের জন্য বাংলা ১৪২৬ থেকে ১৪৩১ সাল পর্যন্ত ইজারা প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন।
বাংলা ১৪২৬ সনের ইজারা মূল্যবাবদ ভ্যাট ও উৎসে কর সহ ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকায় ঐ মৎস্য সমিতিকে ইজারা প্রদান করা হয়। ৬ বছর মেয়াদী জলমহাল ইজারার সময়কাল শুরু হয় ইংরেজী সনের বর্তমান এপ্রিল মাসের ১০ তারিখ থেকে। যা বাংলা সনের ১ বৈশাখ ১৪২৬ বাংলা সনে জলমহালটি গৌতমপুর থেকে জৌকুরা পর্যন্ত নদীর কোল জলমহালের দখল সরেজমিনে হস্তান্তর করে এ কার্য্যকালকে বাস্তবায়ন করার জন্য উক্ত মৎস্য সমিতিকে নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন।
অথচ এ অঞ্চলের গৌতমপুর রতনদিয়া সহ চরাঞ্চলের জেলেরা দেদারছে উক্ত জলমহালের বৈধ ইজারাদারকে না জানিয়ে এবং জোর পূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে দিনে ও রাতে ।
এ ব্যাপারে ইজারাদার জেলেদের মাছ ধরতে তার সাথে আলোচনা করার কথা বলেন। অথচ তারা ইজারাদারের সাথে যোগাযোগ না করে দেদারছে মা ধরছেন, এতে প্রকৃত ইজারাদার আর্থিক ভাবে লোকসানের মধ্যে পরেছেন।
যার কারনে ইজারাদার অবৈধ ভাবে মাছ ধরার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৩৯ অর্ডার ১ রুলে ১২ জেলের মাছ ধরায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছে। ১২ জেলের নামে কোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও তারা জোর পূর্বক মাছ ধরছেন ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলে, জাল জার জ্বলা তার। আর মাছ ধরার ব্যাপারে তাদেরকে কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আলিউজ্জামান টিটো চৌধুরি ও রতন দিয়া ইউনয়ন চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভিন তাদেরকে মাছ ধরতে বলেছেন বলে জানান। মাছ ধরতে যদি কোন সমস্যা হয় তা হলে এবিষয়ে তারা দেখবেন বলে জানান জেলেরা।
এ বিষয়ে কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আলিউজ্জামান টিটো চৌধুরী বলেন, জেলেরা তার কাছে এসেছিলেন মাছ ধরার ব্যাপারে। তবে ১২ জন জেলের মাছ ধরার উপর যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোর্ট জারি করেছে এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেনা।কোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও জেলেরা তার কথা অনুযায়ী মাছ ধরছেন এটা জেলেদের তিনি বলেননি এবং জলমহালে মাছ ধরতেও তিনি বলেনি। তবে ইজারাদার ও জেলেদের সাথে মিলে মিশে মাছ ধরুক এ ব্যাপারে তার কাছে এলে তিনি সুরাহার ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

(Visited 23 times, 1 visits today)